.:সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন:.    Back to Home | Search by Id 
Back to Home Page
 

আপনার তথ্যটি গৃহীত হয়েছে, অতি শীঘ্রই এখানে জবাব দেয়া হবে।


Your IP Address: 3.239.111.79
Your Client IP Address: 3.239.111.79
Your Server IP Address: 3.239.111.79
Your Browser: CCBot/2.0 (https://commoncrawl.org/faq/)

সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন
প্রদানকারীর নাম : *

ফোন নম্বর: *


ই-মেইল : *


স্হান, জেলা : *

বর্ণনা : *

সমস্যার/ক্ষতিগ্রস্থ স্থানের ছবি (যদি থাকে):
(Max size : 2MB)

আরো ছবি দিন


কোড নম্বরটি লিখুন



তথ্য প্রদানে কোনো কারিগরী ত্রুটির সম্মুখীন হলে যোগাযোগ করুন - ৯৫৭৫৫২৭ এই নম্বরে, E-mail : programmer1@rthd.gov.bd

 
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত তথ্য
Print  
11396. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Vhulta Rupganj Narayanganj
তারিখ ও সময় : 17 May, 2022 13:16:27
বর্ণনা :

অতিরিক্ত ভাড়া ও মানুষের সাথে খারাপ আচারন।( ঢাকা সিলেট সড়ক এর বাস)  তিশা .....



11395. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : China more, Mymensingh Sadar
তারিখ ও সময় : 14 May, 2022 09:41:31
বর্ণনা :

A dead rain tree beside the road in front of our house has fallen down. It blocks partially our entry to home. Local people are collecting fire wood from the tree. If authority takes necessary steps to remove the tree from this place it will help both you and us.



11394. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Baroigaon,trishal,Mymensingh
তারিখ ও সময় : 11 May, 2022 14:24:49
বর্ণনা :

আসসালামু আলাইকুম। 


আমি আহাম্মদাবাদ, বারইগাও, ত্রিসাল, ময়মনসিংহ  এর একজন বাসিন্দা।  আমাদের এলাকার বারইগাও থেকে সেনবারি বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার জন্য আমাদের এম পি মহোদয় গত বছর  ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেছেন।  কিন্তু দুখের বিষয় রাস্তার কাজ খুবই ধীর গতিতে চলছে। এমনকি যারা এ কাজে নিয়জিত তাদের কেও এখন দেখা যায় না। কাজ বন্ধ হয়ে আছে।  এই এলাকার মানুসের প্রানের দাবী যে জেভাবেই হোক এই বারইগাও থেকে  সেনবারি বাজার যাওয়ার রাস্তাটি অতি দ্রুত পাকা করতে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। 


আপনারা দয়া করে একটু তদারকি করুন যেন ঠিকাদার রা ঠিক মতো কাজ করেন। 


ধন্যবাদ। 



11392. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : chittagong
তারিখ ও সময় : 05 May, 2022 17:56:48
বর্ণনা :






আসসালামু আলাইকুম ।

আমরা অনেক বার মেইল দিয়েছি এ রোডটি র ঢালাই যেন দ্রুত গতিতে করার জন্য । রোড টির অবস্থা ছবি থেকে বুঝা যাচছে। চট্টগ্রামস্থ সিটির বহদ্দার হাটস্থ হয়ে খতিবের হাট হয়ে অধিকাংশ কাজ পিচ ঢালাই করা হচ্ছে, যেগুলো করা হয়নি তা দ্রুত গতিতে কমপিলিট করার জন্য বিশেষ আহ্বান । নিম্নে চট্টগ্রামস্থ বহদ্দার হাটস্থ চাদগাও 3 নং ওয়ারডস্থ হাজিরপুলস্থ এরিয়া হতে তোলা । এটি চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল হসপিটাল এর নিকটতম এরিয়া তে । রোডটির দু দিকের কাছ অধিকাংশ হয়েছে । কিন্তু আধা কিলোমিটার পর্যন্ত বর্ষার বৃষ্টি হতেই পানি ওঠে যানবাহন চলাচল অনুপযোগী হয়ে যাই , এমনকি হেঁটে যাওয়া ও কষ্ট সাধ্য । তাই দ্রুত গতিতে এ বড় গর্ত টি ভরাট করে যতটুকু পর্যন্ত কাজ বাকি সব পুরা অংশ পিচ ঢালাই সহকারে করার জন্য মাননীয় মন্ত্রী দলীয় সেক্রেটারি মহোদয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী র সুদৃষ্টি কামনা করছি । হাজিরপুল রহমানিয়া আদর্শ মাদ্রাসা হতে চট্টগ্রামস্থ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটাল পর্যন্ত রোডের গর্ত ভরাট সহ আগামী জুন মাসের ভেতর পিচ ঢালাই রিপিয়ার সহ করে জনগণ ও স্কুল -মাদ্রাসা -কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান ঘটানোর জন্য বিশেষ আহ্বান জানাচ্ছি । তাই আমাদের আবেদন গ্রহণ করে দ্রুত গতিতে কাজটির বাকি কাজ গুলো খুব ভালো ভাবে রিপিয়ার করে পিচ ঢালাই সহকারে দ্রুত গতিতে কমপিলিট করার আহ্বান জানাচ্ছি ।






 







 





 



জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অভিযোগে বর্নিত সড়কটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11385. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : gazipor
তারিখ ও সময় : 27 Apr, 2022 09:34:14
বর্ণনা :

ব্রিজ নির্মাণে ধীরগতি


ভোগান্তিতে লাখো মানুষ:-


গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী বাজারের নলজোরা খালের ওপর কেন্দুয়া ব্রিজের নির্মাণ কাজ চলছে ধীর গতিতে। পুরনো ব্রিজ ভেঙে শুরু হয়েছে নতুন ব্রিজ নির্মাণ। পাশের বাইপাস না থাকায় যানবাহন বাহন চলতে পারেনা। পায়ে হেঁটে চলাই এখন কষ্ট সাধ্য। নড়বরেভাবে তৈরি করা হয়েছে কাঠের সেতু। নির্মাণাধীন ব্রিজের পাশে বাইপাস না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে লাখো মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার নদীবন্দর খ্যাত বরমী বাজারের প্রধান সংযোগ সড়কে নলজোর খালের ওপর কেন্দুয়া ব্রিজের অবস্থান। এ ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন শতশত ট্রাক, পিকআপ, অটোরিকশা, সিএনজিসহ পন্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে। বরমী বাজার খেয়া ঘাটদিয়ে পার্শবর্তী ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও, পাগলা থানা এবং কাপাসিয়া উপজেলার উত্তর অংশের লাখো মানুষ যাতায়ত করেন। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সাপ্তাহিক হাট বুধবারে বাজার করা ছাড়াও প্রতিনিয়ত ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে বরমী আসা যাওয়া করে। ইদুল ফিতরকে সামনে রেখে চলাচল বেড়ে গেছে বহুগুন। আসন্ন ঈদে ঘর মুখো মানুষ পড়বে চরম বিরম্বনায়।
বহু বছরের পুরনো জড়াজীর্ণ কেন্দুয়া ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হলে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়। এখন কাজের ধীর গতি আর যথাযথ বাইপাস না থাকায় জনঅস্বস্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। জনগনের ভোগান্তি দেখে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে শীতলক্ষ্যার পার কেটে একটি বাইপাস নির্মাণ করা হয়েছে। যা দিয়ে সাধারণ মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করলেও যানবাহন চলার কোন উপায় নেই। ভুল করে কেও যানবাহন নিয়ে এ পথে চলে এলে তাকে ১০কি.মি পথ ঘুড়ে বাজারে প্রবেশ করতে হয়।
বরমী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ব্রিজ নির্মাণের জন্য সাময়ীক ভোগান্তিতে পরে জনগন। মানুষের যাতায়াতের কথা চিন্তা করে পরিষদের অর্থায়নে নদীর পার কেটে একটি বাইপাস সড়ক করে দেয়া হয়েছে। নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। বর্ষায় সড়কটি তলিয়ে গেলে জনভোগান্তি আরো বাড়বে।
ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মোশফিকুর রহমান কাঞ্চন এন্টারপ্রাইজের সত্বাধীকারী মোশফিকুর রহমান কাঞ্চন বলেন, বাইপাস সড়কের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ভাল বলতে পারবেন।
উপজেলা প্রকৌশলী এ. জেড. এম রকিবুল আহসান জানান, গত ২৭ অক্টোবর’২১ তারিখে কার্যাদেশ পেয়ে ব্রিজের কাজ শুরু করেন মেসার্স মোশফিকুর রহমান কাঞ্চন এন্টারপ্রাইজ। ২৭মিটার দীর্ঘ ব্রিজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আগামী ডিসেম্বর মাসে নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ব্রিজের পাশে বাইপাস নির্মাণের মতো জায়গা না থাকায় সিডিউলে বাঁশের সাঁকো ধরা হয়েছে। রাস্তায় বিদ্যুতের খুঁটি আর জায়গার সমস্যা থাকার কারণে কাজ কিছু বিলম্বিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানান ওই প্রকৌশলী।তাই এ ব্যাপারে সরকার সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি যেন কাজটি খুব দ্রুত গতিতে কমপিলিট করা হয়


গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা র বরমী বাজারে নলজোলা খালের কেন্দুয়া ব্রিজের কাজ দ্রুত গতিতে কমপিলিট করে জনগণ ও ছাত্র ছাত্রীদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তি দূরিভূত করার জন্য মাননীয় সেক্রেটারি সহ সেতু মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী র দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি এবং কন্ট্রাক্ট র এবং ইঞ্জিনিয়ার কে সহ সংশ্লিষ্ট সকলকেই দ্রুত বাজেট টাকা পরিশোধ করে জোরালো তাগিদ দিয়ে কাজটি কমপিলিট করার জন্য বিশেষ আহ্বান জানাচ্ছি


জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অভিযোগে বর্নিত নির্মাণাধীন সেতুটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11384. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : saidpor
তারিখ ও সময় : 27 Apr, 2022 09:22:17
বর্ণনা :

হুমকির মুখে সৈয়দপুর শহর রক্ষা বাঁধ:-


নীলফামারীর সৈয়দপুরে খড়খড়িয়া নদীর শহর রক্ষা বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। বাঁধের ওপর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক ও বাঁধের গোড়ার মাটি দুর্বৃত্তরা কেটে নেয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির স্রোতে ওই বাঁধের কোথাও ভাঙন দেখা দিলে বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা করছে শহরবাসী। অতি প্রাচীন বাঁধটির ১৬ কিলোমিটার জুড়ে কমপক্ষে শতাধিক স্থানে ভাঙনের ঝুঁকি রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের চান্দিয়ার ব্রিজ থেকে শুরু করে সৈয়দপুর পৌর এলাকার ১০নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পাটোয়ারীপাড়া হয়ে পার্বতীপুরের বেলাইচন্ডী ইউনিয়নের শেষ সীমানা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধ। প্রায় ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধের কারণে সৈয়দপুর শহরের সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাগুলো বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি থেকে রক্ষা পায়। কিন্তু বাঁধ ভেঙে গেলে ওইসব স্থাপনা পুরোপুরি হুমকির মুখে পড়ার আশংকা রয়েছে।
বিশেষ করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর, সেনানিবাস, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, ১৫০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, বাংলাদেশ আর্মি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সৈয়দপুর সরকারি কলেজ, বিসিক শিল্পনগরী, সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, সৈয়দপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, হাসপাতালসহ ছোট-মাঝারি শিল্প কারখানা ভয়াবহ প্লাবন জোনে অবস্থান করছে।
বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি ঢুকলে ওই স্থাপনাগুলো কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচফুট পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে শহরের স্থাপনাগুলো। ভৌগলিকগত অবস্থানের কারণে নদীর প্লাবন স্তর থেকে সৈয়দপুর শহরের ওই স্থাপনাগুলো স্থান ভেদে তিন থেকে ছয় ফুট নিচে অবস্থান।
এ বিষয়ে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবু সৈয়দ আমিনুর রশিদ জানান, প্রতিবছর বর্ষাকালে বন্যার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আগেই জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ দিয়ে পানি আটকিয়ে সরকারি বেসরকারি স্থাপনা রক্ষা করা হয়। উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে প্রতি বছর ৩/৪বার বিপদসীমা অতিক্রম করে বন্যার পানি। তিনি মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নার্থে পাকা ব্লক দিয়ে বাঁধটি নির্মাণ করা হলে অন্তত পক্ষে ১০০ বছরে বাঁধের কোন ক্ষতি হবে না।
সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ওই বাঁধটি টেকসই করার জন্য আমরা ডিপিপির প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছি।


তাই নীলফামারী সৈয়দপুর খড়খড়িয়া নদীর শহর রক্ষা বাঁধটি কংক্রিটের ঢালাই সহকারে দুপাশে ঢালাই করে দিলে 100 বছরে ও বাঁধ ভাঙবে না। এবং এভাবে দ্রুত করার জন্য মাননীয় সেক্রেটারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী র সুদৃষ্টি কামনা করছি


জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, সৈয়দপুর শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের বিষয়টি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11383. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : বাগেরহাট
তারিখ ও সময় : 27 Apr, 2022 06:03:44
বর্ণনা :

বিষয়ঃ মোড়েলগঞ্জ হইতে মংলা যাবার মেইন সড়কের বেহাল দশা সংস্কারের জন্য আবেদন ।


মহোদয়,
যথাযথ সম্মন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, সাধারণ জনগণের পক্ষ হইতে মহোদয়ের সমীপে জানাইতেছি যে, মোড়েলগঞ্জ হইতে মংলা যাবার মেইন সড়কটি আজ থেকে ৮/৯ বছর পূর্বে জাইকা বাংলাদেশের সহযোগিতায় মোড়েলগঞ্জ স্টিল ব্রিজ হইতে মংলা পর্যন্ত পিচ ঢালাই করা হয়। করার ২ বছরের মধ্যে রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরে যায় এবং রাস্তা খালের পাড় সংলগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন স্থান থেকে ভেঙ্গে যায়। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমি আপনার একজন ভক্ত হিসেবে এবং জাতীর জনকের আদর্শের সৈনিক হিসেবে বিষয়টি আপনার নিকট অবগত করিলাম। মাননীয় মন্ত্রী আপনি বর্তমান বাংলাদেশকে সড়ক উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন । আমি বিশ^াস করি বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার বর্তমান সরকার জন-বান্দব সরকার এই সরকারের আমলেই দেশে উন্নয়ন সম্ভব। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় উক্ত রাস্তাটি নির্মানের পর থেকে আজ অব্দি সে রকম কোন রক্ষনা বেক্ষন চোখে পড়ে নাই। তবে ২/৩ বছর আগে পাইলিং এর কিছু কাজ করা হয়েছিল। উক্ত রাস্তাটির মাধ্যমে অত্র উপজেলার ৪টি ইউনিয়নের প্রায় ১.৫ লক্ষাধিক লোকের যাতায়ায় তাছাড়া উক্ত রাস্তাটির মাধ্যমে দৈনিক হাজারও যানবহন চলাচল করে থাকে । উক্ত রাস্তাটি ভাঙ্গা এবং বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ থাকার কারনে কয়েকবার র্দূঘটনার শিকার হয়েছে অনেক মানুষ অনেকে হাত পা ভেঙ্গে অসহায় জীবন কাটাইতেছে। উক্ত রাস্তাটি থেকে প্রসতি মাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রায় ১০ জনের অধিক লোকের রাস্তা ডেলিভারি হয়েছে। এমতাবস্থায় জণগরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য আপনার সু-দৃষ্টি কামনা করছি।


অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা যাহাতে মোড়েলগঞ্জ হইতে মংলা যাবার মূল সড়কটি জণস্বার্থে জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করার ব্যবস্থা দানে মর্জি হয়।


জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অভিযোগে বর্নিত সড়কটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11382. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : chittagong city oxegen atorerdepo hamjarbag
তারিখ ও সময় : 25 Apr, 2022 18:53:41
বর্ণনা :

asslamoalykom চট্টগ্রামস্থ সিটি এরিয়া বায়েজিদ থানা পাঁচলাইশ থানার এরিয়া আতুরার ডিপো হামজারবাগ হয়ে মুরাদপুর রেল ক্রসিং পর্যন্ত দিনের বেলায় আর সন্ধ্যায় কাজ করতে গিয়ে প্রতি দিন যানজট লেগে ই আছে । এছাড়া কাজগুলো কন্ট্রাক্টরা করতেছে খুব ধীর গতিতে তাই আমাদের রোড ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উরধত্বন কতৃপক্ষ সেক্রেটারি মহোদয়ের কাছে বিশেষ আহ্বান এ রোডের কাজ গুলি যেন রাত 9 টার পর হতে শুরু করে সকাল 7 টাকা পর্যন্ত করা হয় এবং খুব দ্রুত গতিতে পাথর ঢালাই পিচ ঢালাই সংস্কার রিপিয়ার সহকারে খুব দ্রুত গতিতে কমপিলিট করে জনগণের দৈনন্দিন যাতায়াত বর্ষা মৌসুমে পুরোদমে নিরাপদ সড়ক হিসেবে যেন যাতায়াত করা যাই সেভাবে কন্ট্রাক্ট ইঞ্জিনিয়ার রা কাজটি কমপিলিট করেন সেজন্য আহ্বান জানাচ্ছি । এরিই সাথে অক্সিজেন মোড় সংলগ্ন পাথর সহ পিচ ঢালাই সহকারে সংস্কার রিপিয়ার কাজ টি রাতে র বেলায় বেশি জনবল লাগিয়ে কন্ট্রাক্টদের যথাযথ তাদের payment দিয়ে দ্রুততার সাথে কমপিলিট করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি । এবং অক্সিজেন মোড় হতে নয়া হাট হয়ে , ওজেদিয়া হয়ে ইবার কেয়ার হাসপাতাল হয়ে কুয়াইশ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পর্যন্ত পুরো রোডে বড় বড় গর্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এছাড়া পিচ ঢালাই সংস্কার রিপিয়ার কাজ চলতেছে খুব ধীরগতিতে; একটু করতেছে একটু করে আবার বন্ধ করে রাখে এবং ঢালাই গুলো খুব ভালো মানের ঢালাই দিচ্ছে না; একটু বৃষ্টি পানি পড়লেই গর্তের সৃষ্টি হয়। তাই ভালো ভাবে পিচ ঢালাই যেন দ্রুততার সাথে করা হয় সেজন্য বিশেষ আহ্বান । অক্সিজেন হতে একটু পড়ে নয়া হাটের আগে রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ, অরবিট স্কুল এন্ড কলেজ, অক্সিজেন স্কুল এন্ড কলেজ, হলি চাইল্ড স্কুল এন্ড কলেজ এরিয়া সংলগ্ন পুরো এরিয়া র রোডে বড় বড় গর্ত হয়ে আছে এতে বৃষ্টি র জমে থাকা পানিতে দৈনিক অনেক ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া র সময় বা আসার সময় গাড়ি র ছিটকে পড়া পানিতে কাপড়-চোপড় সব নষ্ট করে ফেলে। তাই ছাত্র ছাত্রীদের যেন স্কুলে ঢুকার সময় ছিটকে পড়া পানিতে সম্মান নষ্ট ক্লাস করতে না পারার মতো কোন সমস্যা না ঘটে সেজন্য বিশেষ করে এ স্কুল সংলগ্ন এরিয়ার কাজটি ভালো ভাবে কমপিলিট করার জন্য আমাদের সেক্রেটারি মহোদয়ের ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় মেয়র সাহেবের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। কাজ টি খুব দ্রুত গতিতে সুন্দর ভাবে কমপিলিট করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি ।এবং পবিত্র ঈদ ও স্কুল খোলা র আগেই যেন এ অক্সিজেন সংলগ্ন হতে নয়া হাট পর্যন্ত কাজটি খুব ভালো ভাবে রিপিয়ার পিচ ঢালাই সংস্কার কমপিলিট করে দীর্ঘ দিনের ভোগান্তি দূর করার আহ্বান জানাচ্ছি ।


জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অভিযোগে বর্নিত সড়ক সমূহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11381. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : jinahdoho
তারিখ ও সময় : 25 Apr, 2022 18:51:06
বর্ণনা :

আসসালামু আলাইকুম । যশোর শহর হয়ে ঝিনাইদহ jilar  র মঙ্গলপুর গ্রামটি পুরোপুরি লোক শূন্য । 100 বছর আগে নাকি এ গ্রামে বসত বাড়ি ছিল ; এখন ঘর বাড়ি জনগণ কেউ নেই পুরো জনশূন্য । তাই আমাদের আবেদন এ গ্রামের রোড টি কংক্রিটের ঢালাই সহকারে সংস্কার রিপিয়ার করে ঐ মঙ্গলপুরে আমাদের প্রধানমন্ত্রী গৃহহীন দের যে বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে সেমলি এ গ্রামে 200/300 টি ঘর তৈরি করে এ গ্রামকে জনবল ঘর বাড়ি বসত বাড়ি গ্রামে পরিণত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সেক্রেটারি মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি । কারণ এ গ্রামটিতে নাকি ডর- ভয়ে 100 বছর আগে সবাই গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। তাই এখন সরকার রোড সংস্কার, বিদুত্ সহ নলকূপ স্থাপন বাজার এরিয়া তে দোকানপাট তৈরি করে জনবল ওয়ালা গ্রামে পরিণত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত সুদৃষ্টি কামনা করছি সাথে আমাদের আবেদন গ্রহণ করে ঐ ঝিনাইদহ র মঙ্গলপুর গ্রামে প্রধানমন্ত্রী র "গৃহহীন দের আশ্রয় প্রদান ঘর" গুলো তৈরি করে ঐসব এরিয়ার গরীব মেহনতি মানুষের গৃহ দান করে জনবল ওয়ালা গ্রামে পরিণত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে বিশেষ আহ্বান জানাচ্ছি


জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ আপনার অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অভিযোগে বর্নিত গ্রামীন সড়কটি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে। অভিযোগে বর্নিত গ্রামে গৃহহীনদের আশ্রয় প্রদানে ঘর নির্মাণের বিষয়টিতে জেলা প্রশাসন ঝিনাইদহ-এর সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

11380. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : sonamgonj kisorgonj
তারিখ ও সময় : 24 Apr, 2022 07:08:08
বর্ণনা :

আসসালামু আলাইকুম । সুনামগঞ্জ নেত্রকোনা কিশোরগঞ্জ হাওড় এরিয়া র বাঁধ ভাঙনের কারণে কত পরিবারের আর্থিক ক্ষতি সরকার ঐ জেলা থানা গুলো পরিদর্শন করলে বুঝতে পারবেন । তাই সরকার ঐ বাধটি বন্যা বা বৃষ্টির পানির ঠেলায়; জোয়ার পানির ঠেলায়, ভারতীয় পানি র ঠেলায় ভাঙতে না পারেন সেজন্য পুরো বাধটির দু পাশে ইট পাথরের ঢালাই সহকারে সংস্কার রিপিয়ার সহকারে খুব দ্রুত গতিতে করার জন্য আমাদের সেক্রেটারি মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুন্দর সুদৃষ্টি দ্রুততার সাথে কামনা করছি। এতে শত শত হাজার পরিবারের আর্থিক সাবলম্বি হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হবে ইনশ্ আল্লাহ্ । তাই অতি শীঘ্রই যেভাবে বাজেট করা যাই সেভাবে ঐ সুনামগঞ্জ নেত্রকোনা কিশোরগঞ্জ হাওড় এরিয়ার বাধটির কাজ শক্তিশালী ভাবে করার জন্য আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট সরকারের সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি.


বাঁধ ভেঙেছে ছায়ার হাওরে, ডুবছে তিন জেলার ফসল


সুনামগঞ্জের শাল্লার ছায়ার হাওরের মাউতির বাঁধ ভেঙে সুনামগঞ্জের দিরাই, শাল্লা,  নেত্রকোনার কালিয়াজুরি, মদন, কিশোগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন উপজেলার হাজারো কৃষকের ফসল ডুবছে। 


এ হাওরে সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার ৪ হাজার ৬৩৭ হেক্টরসহ কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলার বোরো জমিও রয়েছে।


শাল্লা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু সমকালকে এই তথ্য জানান।


তিনি বলেন, এই হাওরে সবচেয়ে বেশি জমি শাল্লা উপজেলার। কিছু জমি কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন ও কিছু জমি নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার কৃষকদের। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ধান কাটা হয়েছে। বাকি অর্ধেক ধান কাটা বাকি আছে। এ অবস্থায় হাওর তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসীরা জানান, রোববার ভোরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিআইসি নির্মিত বাঁধটিতে ফাটল দেখা দেয়। পরে বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি প্রবেশ করতে থাকে। বাঁধ ভাঙার এ দৃশ্য দেখে হাজারো কৃষক তাঁদের অবশিষ্ট জমির ধান কাটতে হাওরে নামেন।


কৃষকরা জানান, অকৃষক কৃপেন্দ্র দাসকে সভাপতি করে ২২ লাখ টাকার এই প্রকল্প দেওয়া হয়। পিআইসি সভাপতি কৃপেন্দ্র সিলেটে অবস্থান করেন। তিনি কৃষকও নন। তাই বাঁধের কাজে নানা দুর্বলতা ছিল। এই দুর্বলতার কারণেই বাঁধ ভেঙে হাওরের কাটার বাকি অবশিষ্ট জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তারা।


হাওর বাঁচাও আন্দোলন শাল্লা উপজেলা সভাপতি তরুণ কান্তি দাস সমকালকে বলেন,রোববার ভোরে মাউতির বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকছে। বাঁধ যেভাবে ভেঙেছে, এর আগে এভারে কোনদিন বাঁধ ভাঙেনি। শনিবার সন্ধ্যায়ও কিছু লোক পিআইসির সভাপতি কৃপেন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ দাসকে বাঁধে বুরুঙ্গার কথা জানান। কিন্তু তারা আমলে নেন নি। রাতে বাঁধও ছিল না এরা।


তিনি আরও বলেন, রোববার ভোরে যখন বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকতে শুরু হয়, তখনও চিৎকার দিলে মাইকে প্রচার দিলে বাঁধ ঠেকানো যেত।


তার মতে, হাওরের ৩০ ভাগ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে কৃষকের ৫০ ভাগ ক্ষতি হবে। কারণ তারা ধান কেটে ক্ষেতেই রেখেছিলেন। এই ধান তুলে আনার সময় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে হাজারো কৃষককে। দুই দিনে হাওরে গলাসমান পানি হবে। এরপর অসহায় হয়ে যাবেন তারা।


তবে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তালেব দাবি করেন হাওরের ৯০ ভাগ ফসল কাটা শেষ। শনিবার রাত ১১ টায় কালবৈশাখী হচ্ছিল। ওই সময় তদারকিতে কেউ না থাকায় বাঁধ ভেঙেছে।


এর আগে গত ২১ এপ্রিল সুনামগঞ্জের দিরাই ও জগন্নাথপুরের দুটি বাঁধ উপচে হাওরে পানি ঢুকেছে। এর মধ্যে রয়েছে জেলার দিরাইয়ের অন্যতম বৃহৎ হাওর বরাম। হাওরপাড়ের চণ্ডিপুর-খেজাউড়ার মাঝামাঝি অংশ দিয়ে কালনী নদীর পাড় উপচে পানি ঢুকে পড়ে। এই হাওরে প্রায় চার হাজার হেক্টর জমি চাষ হয়।


ওইদিন জগন্নাথপুর, ছাতক ও শান্তিগঞ্জের মাঝামাঝি এলাকার ছোট হাওর দাড়াখাইয়ে পানি ঢুকেছে। হাওরের পাশের কুচিয়ার খাল উপচে পানি ঢোকা শুরু হয়। স্থানীয়ভাবে এই হাওরকে পাঠার হাওর বলা হয়। এই হাওরের বেশিরভাগ ধানই কাটা হয়নি।


সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম জানিয়েছেন, বরাম হাওরের চার হাজারের মধ্যে তিন হাজার হেক্টর জমির ধান বুধবার পর্যন্ত কাটা শেষ। পাঠার হাওরের ২০ হেক্টর জমির মধ্যে বেশিরভাগই কাটা শেষ। দুই হাওরেই এখনো ধান কাটা চলছে।


নদীর পানি ধীরে কমায় অসময়ে নির্মিত হাওররক্ষা বাঁধের বেশিরভাগেই হয় ধস, না হয় চুইয়ে হাওরে পানি ঢোকায় বাঁধ নিয়ে উৎকণ্ঠা কমছে না। জমির পাকা ধান কম সময়ে কেটে গোলায় নিতে হচ্ছে, আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন থাকায় ধান শুকাতেও বিলম্ব হচ্ছে। এ অবস্থায় বাঁধের কাজে যাওয়া তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। 


গত ২১ এপ্রিল সুনামগঞ্জের হাওর পরিদর্শনে গিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, হাওরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, আগাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নৌযান চলাচলের সুবিধার্থে সুনামগঞ্জে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। বছরের শেষের দিকে নদী খনন ও কজওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে। এখন  সমীক্ষার কাজ চলছে।


তিনি বলেন, সুনামগঞ্জের মানুষের জন্য আমরা একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। আমরা আশা করছি আগামী নভেম্বর- ডিসেম্বরের দিকে কাজ শুরু করতে পারব। ১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি নদী ও এর সঙ্গে যত সংযোগ খাল রয়েছে তা খননের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার সমীক্ষার কাজ চলছে। সমীক্ষার রিপোর্ট আমরা সেপ্টেম্বরের ভেতরে পাব। এরপর একনেকে তুলে প্রকল্পটা পাস করাব।








তাই দ্রুত বিল পাস করিয়ে দ্রুততার সাথে বাঁধ ভাঙনের প্রতিরোধ করে উভয় পাড়ের পাথর সিমেন্টের ঢালাই সহকারে সংস্কার রিপিয়ার করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি করে সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার আহ্বান জানাচ্ছি






 





জবাব :

See Reply

জনাব আপনাকে ধন্যবাদ অভিযোগ-টির প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, হাওড় এলাকার বাঁধ নির্মাণ ও মেরামতের বিষয়টি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাভূক্ত নয়, এই বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।