.:সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন:.    Back to Home | Search by Id 
Back to Home Page
 


Your IP Address: 35.175.200.4
Your Client IP Address: 35.175.200.4
Your Server IP Address: 35.175.200.4
Your Browser: CCBot/2.0 (https://commoncrawl.org/faq/)

সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন
প্রদানকারীর নাম : *

ফোন নম্বর: *


ই-মেইল : *


স্হান, জেলা : *

বর্ণনা : *

সমস্যার/ক্ষতিগ্রস্থ স্থানের ছবি (যদি থাকে):
(Max size : 2MB)

আরো ছবি দিন


কোড নম্বরটি লিখুন



তথ্য প্রদানে কোনো কারিগরী ত্রুটির সম্মুখীন হলে যোগাযোগ করুন - ৯৫৭৫৫২৭ এই নম্বরে, E-mail : programmer1@rthd.gov.bd

 
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত তথ্য
Print  
9519. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Dhaka CIty
তারিখ ও সময় : 02 Jul, 2019 08:44:12
বর্ণনা :

I am a regular passenger from Notun Bazar to Gulisthan. After the ban on Suprovat we faced many problems going through this route. Thanks to govt. that the started BRTC service from Airport to Gulisthan. I seems before we can find many bus at office time to go there. But recently there is rarely a BRTC Dui Tala bus here at morning. Sometimes we ger the brtc bus but its late for office time. And there r hundrads of people in dis route go for office. The gsathering is so so much at those small amount of buses. I heard that the number of buses in this royte has been resuced.
I wish you would think about that and increse the bus number and start the bus service early in the morning. As there are so many office people at that route.
Thank you.


জবাব :

See Reply

বর্ণিত রুটে বিআরটিসি’র ঢাকাস্থ কয়েকটি ডিপোর গাড়ী চলাচল করে। উল্লিখি অভিযোগের বিষয়ে জোয়ারসাহার ডিপোর ম্যানেজার জানান যে, বর্ণিত রুটে উক্ত ডিপোর ২০টি দ্বিতল ও ১০টি একতলা বাস চলাচল করে এছাড়াও মিরপুর ও মোঃপুর ডিপোর কয়েকটি বাস এরুটে চলাচল করছে। তিনি আরো বলেন, যাত্রী চাহিদার ভিত্তিতে প্রয়োজনে আরো গাড়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।


9518. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : রাজশাহী, কাকনহাট ঘিয়াপুকুর
তারিখ ও সময় : 01 Jul, 2019 05:34:07
বর্ণনা :

রাজশাহী জেলার কার্শিয়া ডাঙ্গা থেকে আমনুরা পযন্ত রাস্তা বৃদ্ধি ও নতুন বিরীজ নির্মান কাজ চলিতেছে।বিরীজের নির্মান কাজে নিম্নমানের বালু(চিকন ও ভরাট বালু ব্যবহার করা হচ্ছে),পাথর (যেখানে কালো পাথর হাফ ইঙ্গি  ব্যবহার করার কথা, সেখানে সাদা পাথর এক ইঙ্গি থেকে হাফ ইঙ্গি পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে),সিমেন্ট পরিমান কম দেওয়া হচ্ছে।  প্রথম দিন এক বস্তা সিমেন্ট ও দুই ডালি ভরাট বালি এবং ছয় ডালি সাদা পাথর   একবারে ব্যবহার করা হচ্ছে।প্রথম দিন ইনজিনিয়ার কাজের উপকরনে মান দেখে কাজ বন্ধ রাখলেও  পরের দিন নিম্নমানের উপকরন দিয়ে কাজ চালু করে।  প্রশাসনকে দুরুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরদ করছি। 


জবাব :

See Reply

গত ২৭/০৬/২০১৯ ইং সড়কের ২৩তম কিঃমিঃ দুই ভেন্ট বিশিষ্ট ২ x ৫.০০ মি x ৬.০০ মি আর.সি.সি বক্স কালভার্ট নির্মাণে কালভার্ট এর বেইজ ঢালাই করা হয়। ঢালাই কাজে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী-০১, রাজশাহীসহ সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও ২ জন কার্যসহকারী সরজমিনে উপস্থিত থেকে ঢালাইকার্য সম্পাদন করেন। অভিযোগে যে সকল বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে তা সত্য নয়। ঢালাইয়ের আগে পাথরের গুনগত মান রাজশাহী ল্যাবরেটরি হতে পরীক্ষা করা হয়েছে। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঢালাই কার্য সম্পাদনের কারণে সিমেন্ট, পাথর ও বালুর রেশিও কম বেশী হবার কোন সুযোগ ছিল না।

সুতরাং ঢালাইয়ের সম্পর্কে যে অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে তা সঠিক নয় ও ভিত্তিহীন মর্মে নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, সড়ক বিভাগ, রাজশাহী তার দপ্তর স্মারক নং-১৬৩৯ তাং ০৭/০৭/২০১৯ এর মাধ্যমে অত্র দপ্তরকে অবহিত করেছেন।


9517. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : কুমিল্লা - নোয়াখালী সড়ক
তারিখ ও সময় : 30 Jun, 2019 06:57:34
বর্ণনা :

২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর খ্রিস্টাব্দ তারিখে কুমিল্লা( টমছম ব্রীজ) -- নোয়াখালী( বেগমগঞ্জ)চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় ৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ  সড়কটিকে চারলেনে উন্নীতকরনের লক্ষে ২১৭০ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্পটি একনেকে পাশ করে  সদাশয় সরকার। দেশের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়কটির ৫৯ কিলোমিটার সড়ক  চারলেনে উন্নীতকরনের কাজটি দ্রুত  এগিয়ে নেয়া হোক।  এখন পর্যন্ত সড়কটির পাঁচ প্যাকেজের মধ্যে মাত্র দুই প্যাকেজের কাজ চলমান দেখা গেলেও প্রকৃত পক্ষে পদুয়ারবাজার বিশ্বরোড হতে বিজয়পুর রেল ক্রসিং পর্যন্ত এবং নাথেরপেটুয়া বাজার হতে বিপুলাসার বাজার পর্যন্ত সামান্য কিছু মাটি ভরাটের  কাজ করার পর আর কোন কাজই হচ্ছেনা ছয় মাসের অধিক সময় ধরে।  আর এই অংশের রাস্তাটির অবস্থা এখন খুবেই খারাপ, বড় বড় গর্ত আর খানা - খন্দে বড় বাস কাইত - চিত হয়ে যায়, বয়স্ক যাত্রী, গর্ভবতী নারীদের পক্ষে এখন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আর পদুয়ারবাজার হতে বিপুলারসার পর্যন্ত সড়কটিতে বিদ্যুৎ এর খুঁটিগুলো এখনো স্থানান্তর করা হয়নি, যার ফলে যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। আবার লালমাই বাজার গোলচত্বর হতে লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস পর্যন্ত তিন নাম্বার প্যাকেজের ১৫ কিলোমিটার কাজের টেন্ডারই আহবান হয়নি এখনো। শোনা যাচ্ছে এই অংশে এলাইনমেন্ট ঠিক করার নামে দেড় বছরেরও অধিক সময় পার হয়ে গেছে। লালমাই গোলচত্বর হতে লাকসাম দক্ষিণ বাইপাসের ফতেহপুর পর্যন্ত অংশের এই ১৫ কিলোমিটারের এখনো পর্যন্ত টেন্ডার না হওয়ার মূল কারন হচ্ছে বাগমারা ও লাকসাম বাজার অংশের সড়কের দুইপাশ হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে স্থানীয় প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের  অসহযোগিতা।  স্থানীয় প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিদের  অসহযোগিতার কারণেই  এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত কর্মকর্তাগণ এই ১৫ কিলোমিটার অংশের  এলাইনমেন্ট ঠিক করে টেন্ডার  আহবান করতে পারেনি বলে জানা  যায়। 


লালমাই-- লাকসাম অংশের সড়কটির  বাগমারা বাজারের মধ্য দিয়ে যাওয়া অংশের দুইপাশের দোকানপাট গুলো একদম রাস্তা লাগোয়া যেন আস্তে আস্তে রাস্তাটিকে গিলে খাবে এমন অবস্থা বিরাজ করছে।এমন অবস্থা বিগত দশ  বছর ধরে  দেখা যাচ্ছে। লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজারের দুইপাশ হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না  করার কারনে এই বাজারে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। আবার লাকসাম বাজার অংশেও একই অবস্থা বিগত দশ বছর ধরে দেখা যাচ্ছে , এখানেও সড়কটির দুইপাশের সরকারি জায়গা হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করার কারণে উত্তর লাকসামের ভৈষকপালিয়া ঈদগাহের সামনে থেকে লাকসাম বাজারের উপর দিয়ে দক্ষিণ লাকসামের ফতেহপুর ব্রীজ পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। উত্তর লাকসামের ভৈষকপালিয়া ঈদগাহের সামনে থেকে লাকসাম বাজারের উপর দিয়ে দক্ষিণ লাকসামের ফতেহপুর ব্রীজ পর্যন্ত  এই  চার/ পাঁচ কিলোমিটার সড়ককে    চারলেনের ফ্লাইওভার বা এলিভেটেড রোড নির্মাণ করাটাই সঠিক হবে বলে বিজ্ঞজন মনে করেন । একইভাবে বাগমারা হাইস্কুলের সামনে থেকে বাগমারা বাজারের উপর দিয়ে এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে সহজেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে  । অর্থাৎ বাগমারা বাজার এবং লাকসাম বাজারের উপর দিয়ে মোট ৬ কিলোমিটারের  দুটি ফ্লাইওভার বা এলিভেটেড রোড  নির্মাণ করা হলে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির ১৫ কিলোমিটারের প্যাকেজের চারলেনে উন্নীতকরনের ক্ষেত্রে আর সমস্যা থাকবেনা  বলে এই সড়কে যাতায়াতকারি যাত্রীগণসহ বিজ্ঞজনের অভিমত । এক্ষেত্রে জমি অধিগ্রহণ বাবদ খরচও বেঁচে যাবে এবং নতুন সড়ক  নির্মাণের জন্য মাটিভরাটও করতে হবেনা উল্লিখিত দুই বাজার অংশে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে। আবার নোয়াখালী অংশের  নোয়াখালীর চৌমুহনী চৌরাস্তা হতে  চাষিরহাট পর্যন্ত অংশের ১৫ কিলোমিটার সড়ক  চারলেনে উন্নীতকরনের  কাজ এখনো শুরুই  হয়নি । এমতাবস্থায়  বাগমারা বাজার এবং লাকসাম বাজারের উপর দিয়ে ফ্লাইওওভার নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়ে   কুমিল্লা -- নোয়াখালী মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীতকরনের  কাজ যথাযথভাবে এগিয়ে নিতে  মাননীয় সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী মহোদয়ের জোর  হস্তক্ষেপ কামনা করছি।   


 


বিনীত নিবেদক  


আমিনুল ইসলাম


ছাত্র, নোয়াখালী  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ।  


জবাব :

See Reply

‘‘কুমিল্লা(টমছমব্রীজ)-নোয়াখালী(বেগমগঞ্জ) আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীতকরণ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত ২৪-১০-২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হয়, যার বাসত্মবায়নকাল ০১-০৭-২০১৭ হতে ৩০-০৬-২০২০ পর্যন্ত। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২১৭০৭৮.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার টমছমব্রীজ হতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ পর্যন্ত মোট ৫৯.০০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীতকরণ কাজ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। বর্ণিত প্রকল্পে পূর্ত কাজে মোট ০৫টি প্যাকেজের মধ্যে প্যাকেজ-০১, প্যাকেজ-০২ এবং প্যাকেজ-০৩ কুমিল্লা সড়ক বিভাগের আওতাধীন। নিম্নে প্যাকেজওয়ারী অগ্রগতি প্রদত্ত হলোঃ-

 প্যাকেজ-০১: উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন কুমিল্লা-চাঁদপুর (আর-১৪০) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১+১০০ হতে ১২+১০০ = ১১.১০ কিলোমিটার (টমছমব্রীজ হতে লালমাই) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্যাকেজের অগ্রগতি ২৫%। এছাড়া উক্ত প্যাকেজে অন্তর্ভূক্ত সড়কাংশে বিদ্যমান বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বরাবর ক্ষতিপূরণ মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। শীঘ্রই উক্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

 প্যাকেজ-০২: উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন কুমিল্লা-চাঁদপুর (আর-১৪০) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১১+১০০ হতে ২৮+১০০ = ১৭.০০ কিলোমিটার (লালমাই হতে চন্দনা) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ কাজ চলমান থাকায় উক্ত প্যাকেজের দরপত্র আহবান করা যায়নি। অধিকন্তু বাগমারা বাজার এবং লালমাই শহর অংশে বিদ্যমান এলাইনমেন্টে ২-লেন মহাসড়ক এবং নতুন এলাইনমেন্টে ২-লেন মহাসড়ক নির্মাণের জন্য মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন। মাননীয় সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর মহোদয় উক্ত বিকল্প এলাইনমেন্ট পরিদর্শন করেন। বিকল্প এলাইনমেন্টে জরিপ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্যাকেজের দরপত্র আহবান প্রক্রিয়াধীন। তবে ঠিকাদার নিযুক্ত হওয়ার আগ পর্যমত্ম উক্ত অংশে বিভাগীয়ভাবে মেরামত কাজ চলমান রয়েছে।

 প্যাকেজ-০৩: উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন লালমাই-লাকসাম-সোনাইমুড়ী (আর-১৪১) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১৭+০০০ হতে ৩৩+০০০ = ১৬.০০ কিলোমিটার (চন্দনা হতে বিপুলাসার) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্যাকেজের অগ্রগতি ৩৫%।

সর্বোপরি বর্ণিত সড়কে চলাচলকারী জনসাধারণ দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্ণিত প্রকল্পের সুফল ভোগ করবে। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে উন্নয়ন কাজ সম্পাদনের পূর্ব পর্যন্ত বর্ণিত সড়কাংশ বিভাগীয়ভাবে এবং নিয়োজিত ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ সড়কাংশসমূহ মেরামত করতঃ যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে মর্মে নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, সড়ক বিভাগ, কুমিল্লা তার দপ্তর স্মারক নং-১৭৭০ তাং ০৮/০৭/২০১৯ এর মাধ্যমে অত্র দপ্তরকে অবহিত করেছেন।


9516. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Bogura dipo
তারিখ ও সময় : 27 Jun, 2019 18:01:31
বর্ণনা :

বগুড়া হইতে বরিশালের উদ্দেশ্য রাত ১০.০০ টায়।  কিন্তু গাড়িটি ২ ঘন্টা ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। এখন রাত ১২ টা। তাহলে বরিশালের কখন যাব?????


কর্তপক্ষের সুনজর দরকার।


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ, অভিযোগের বর্ণনায় পরিবহনের নাম উল্লেখ না থাকায় এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্চে না । সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করলে প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে।


9515. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : কুমিলা সিটি ১৯ নং ওয়ার্ড.. গ্রাম নোয়াপাড়া
তারিখ ও সময় : 26 Jun, 2019 18:15:01
বর্ণনা :

আমাদের গ্রামের রাস্তাটা  আজ ৫/৬ মাস ধরে খুব খারাপ অবস্থায় পরে আছে. কাজ করতে গিয়ে গর্থ করে পেলে রাখচে আমরা চলা পেরা করতে পারতেচিনা দয়া করে একটা কছু করুন


জবাব :

See Reply

নোটিশে উত্থাপিত বর্ণিত সড়কটির উন্নয়নে চলমান প্রকল্পটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন মর্মে নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, সড়ক বিভাগ, কুমিল্লা স্মারক নং-১৭০০ তাং ৩০/০৬/২০১৯ এর মাধ্যমে অবহিত করেছেন।


9514. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Basaboo, Dhaka
তারিখ ও সময় : 23 Jun, 2019 15:45:54
বর্ণনা :

Assalamualaikum,


Myself a university going student. I applause goverment for their day by day improvement on road transport sector. Unfortunately, there are few old issues that are continuously going on till today.


Issue 01:


However, as far as I know the rent of CNG drived bus in BDT 1.70 per kilometer and for minibus it is BDT 1.60 per kilometer. As I have to jounrney through various local bus I observed that most of them have not any "Rent Chart" and they are taking illegally excessive rent from the passanger.


Issue 02:


The so called saying "Sitting Services" buses are taking passanger like local bus (standing and sitting both) but from the all passanger they are taking same rent which is obviously excess rather than local bus services. I think this is totally unfair and ilgeal approach


Issue 03:


As of being a student it is very tough for us to pay rent like others. I expect a clear decleration from the authority to enforce the rule of paying "Half Rent" for the real students by their proper identification.


 


Thanks for hearing by my side.


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ, অভিযোগের বর্ণনায় বাসের নাম্বার, সময় ও ঘটনার তারিখ উল্লেখ না থাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করলে প্রতিকার পাওয়া যেতে পারে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ করার জন্য বিআরটিএ’র মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। তবে, হাফ ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ গাড়ির কোম্পানী এবং মালিকের উপর নির্ভর করে, এখানে বিআরটিএ’র আইনগতভাবে করনীয় কিছু নাই।


9513. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : ঢাকা
তারিখ ও সময় : 22 Jun, 2019 19:53:25
বর্ণনা :

স্যার বিগত ১২/১১/২০১৮ হইতে অদ্য ২১/০৬/২০১৯ পর্যন্ত একটি কাভার ভ্যান গাড়ির মালিকানা বদলি হচ্ছে না সমস্ত টাকা সরকারীভাবে জমা দেওয়ার পরেও কেনো এতো সময় লাগছে। গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন নঃ ঢাকা মেট্রো- শ - ১১-০৩২৩ । স্যার জানালে খুশি হবো।      


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ, ঢাকা মেট্রো-শ-১১-০৩২৩ নং মোটরযানটির মালিকানা পরিবর্তন এর বিষয়টি বিআরটিএ’র আইএস সফটওয়্যার যাচাই করে দেখা যায় যে, অদ্যাবধি মোটরযানটি মালিকানা পরিবর্তন হয়নি। ‍উক্ত মোটরযানটির সঠিকতা যাচাই করে মালিকানা দ্রুততার সহিত পরিবর্তন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) কে জানানো হয়েছে।


9512. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : নারায়ণগঞ্জ
তারিখ ও সময় : 19 Jun, 2019 20:10:52
বর্ণনা :

নারায়নগঞ্জ শহরে বন্দর টার্মিনাল ঘাটে ব্রীজ/টানেল চাই


জনাব/জনাবা,


আসসালামু আলাইকুম। আমি নারায়নগঞ্জের একজন অতি সাধারণ বাসিন্দা। উন্নয়নের মহাসড়কে অগ্রগামী বাংলাদেশের সাথে নারায়ণগঞ্জের পথ পরিক্রমাও অগ্রসরমান। “প্রাচ্যের ডাণ্ডি” খ্যাত নারায়ণগঞ্জ ক্রমেই ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, কুমিল্লা এবং গাজীপুরের মত গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলির ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রভূমি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে।  বাংলাদেশের আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের মোট জনসংখ্যা ৬১৮৬০৬ জন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী (Source: Census of non-farm economic activities 2001-2003) নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ৭৯৫৫৭টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং এগুলোতে ৩৮১০১২ জন বিভিন্ন পেশার সাথে যুক্ত রয়েছেন।  এর মধ্যে প্রায় ১১৯৪৭৯ জন কৃষিকাজ এবং এর সম্পৃক্ত কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। এখানে ৯ ধরনের প্রায় ১০০৮৫টি শিল্প কারখানার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এবং ডেইলি বাজার, সাপ্তাহিক হাট, গ্রোথ সেন্টার এবং অন্যান্য প্রায় ১১৯২টি স্থাপনা রয়েছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে এই পরিসংখ্যানকে আরও সুসংহত এবং টেকসই করার সুযোগ রয়েছে।


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতাধীন নারায়নগঞ্জ শহরে ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণ এবং ফেরী চলাচল ধন্যবাদের যোগ্য। কিন্তু এগুলো শহরবাসীর কোন উপকারে আসছে না বা আসবে না। কারণ নির্মাণাধীন সেতু মূল শহর থেকে অনেক দূরে এবং ফেরী বেশির ভাগ সময় অচল থাকে ও পারাপারে সময়ক্ষেপণ হয়। বন্দর টার্মিনাল ঘাট (বাস স্টপ/থানা) থেকে অপর পাড়ে যাওয়ার জন্য এখনও নৌকাই একমাত্র ভরসা। অথচ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০০০০ জন এই বন্দর ঘাট ব্যবহার করেন। এখানে যাত্রী এবং মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয়। এতে করে নষ্ট হয় যাত্রীদের মূল্যবান সময়। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও হয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, স্কুল-কলেজ, ব্যাংক ও অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সেবাসমূহ পাওয়ার ক্ষেত্রে নদী পার হয়ে সেবা গ্রহণে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এক্ষেত্রে শিশু, বৃদ্ধ, রোগী এবং মহিলারা দারুন অসুবিধার সম্মুখীন হয়। বিশেষ করে বর্ষার সময়ে নদী আরও ভয়াবহ হয়ে উঠে। এ সকল বিষয় বিবেচনায় নিয়ে যদি বন্দর টার্মিনাল ঘাট থেকে অপর পাড়ে যাওয়ার জন্য একটি ব্রীজ তৈরি করা যায় অথবা কর্ণফুলী নদীর টানেলের মত কোন টানেল তৈরি করা যায় তাহলে উন্নয়নের মহাসোপানে সকলেই সমার্থক এবং অংশীদার হতে পারবে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস এখন পর্যন্ত কোন আলোর মুখ দেখেনি।


যুক্তরাষ্ট্রের ওভারসিজ হাইওয়ে (১৮২ কিমি), চীনের কিংদাও হাইওয়ান ব্রীজ (৪৩ কিমি), এমনকি পাশের  ভারত, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলো সী-ব্রীজ তৈরির মাধ্যমে শত কিলোমিটার অঞ্চলকে সংযোগ করছে। অথচ বন্দর টার্মিনাল ঘাটের ২০০ ফুট (৬০ মিটার) ব্রীজ তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের সক্ষমতা যোজন মাইল দূরে। এ ক্ষেত্রে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কোন পরিকল্পনা রয়েছে কিনা? না থাকলে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?


জবাব :

See Reply

নারায়নগঞ্জ শহরে বন্দর েটার্মিনাল ঘাটে ব্রীজ/টানেল নির্মাণ প্রকল্প সংক্রান্ত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এই মূহুর্তে কোন পরিকল্পনা নাই। তবে নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের বর্ণিত স্থানে ব্রীজ নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সাথে আলোচনাক্রমে জানা গেছে মর্মে নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ, সড়ক বিভাগ, নারায়গঞ্জ এর দপ্তর স্মারক নং-১১২৪ তাং ২৭/০৬/২০১৯ মোতাবেক অত্র দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।


9511. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : কেরাণীগ্ঞ্জ, ঢাকা
তারিখ ও সময় : 19 Jun, 2019 14:02:49
বর্ণনা :

‘‘মোটর সাইকেলে উচ্চ শব্দের হরণ ব্যবহার ও সংযোজন নিষিদ্ধ করুন ‘’


আমরা জানি মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতা  ৪০ থেকে ৬০ ডেসিবল। এর ওপরে হলে মানুষের শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকবে। তাছাড়া ৬০ ডেসিবল শব্দকে উচ্চশব্দ বলা হয়ে থাকে। যার স্থিতি ৫সেকেন্ড হলে মানুষের হার্ট বিট সহ উচ্চরক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আর তাতে মানুষ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হতে থাকবে। এখন কথা হলো  আমাদের সারা দেশে বিশেষ করে ঢাকা শহরে ইদানিং বিভিন্ন কারণে মোটর সাইকেলের ব্যবহার এত বেশি বেড়ে গেছে শাখা রোড সহ সকল অলিগলিতে প্রতি এক মিনিটে ২থেকে ৩টি মোটরসাইকেল ক্রস করে যাচ্ছে আর বড় রাস্তায় ৫/৬টি। তাহলে আমি যদি শাখা রাস্তায় ৩০মিনিট হাঁটি তবে আমাকে কমপক্ষে ৬০ টি মোটর সাইকেল ক্রস করবে। কিন্তু দুখঃ জনক ঘটনা হলো এসব মোটর সাইকেলে শব্দ সহনশীল হরণ ব্যবহার করা হয়নি (সম্ববত: হইড্রলিক হরণ ) বিধায় এসব হরণ থেকে ৮০ থেকে ১২০ বা তার ও বেশি শব্দ উৎপন্ন হয়। তার ওপর চালকদের অসচেতনতার কারণে তারা যখন তখন যত্রতত্র কারণে অকারণে বা নিজের খামখেয়ালী বশত: অনবরত হরন দিয়ে জনমনে আতংকের সৃষ্টি করে ফলে রাস্তায় চলাচলরত শিশু বৃদ্ধ সহ অসুস্থ ব্যক্তিরাতো ক্ষতিগ্রহস্থ হচ্ছে তার ওপর সুস্থ ব্যক্তিরা প্রতিদিন অসুস্থ হয়ে বাসায় ফিরছে। তাছাড়া বিবেকহীন চালকরা হরণ বাজানো নিষিদ্ধ এলাকায় যেমন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, বাজার, আবাসিক এলাকা এবং জনসমাবেশ এলাকায়  হরণ ব্যবহার করে নিঃসংকোচে।আবার অনেকে খেলার চলে বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালিয়ে হরণ দীর্ঘক্ষণ চেপে ধরে। উদাহরণ স্বরূপ: আমি গাড়ী জ্যামের কারনে খুব ধীরে ধীরে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি কিন্তু আমার পিছনে একজন মোটর বাইক চালক অনর্থক উচ্চ শব্দের হরণ বাজিয়ে যাচ্ছে , তাকে আমি হরণ না বাজাতে অনুরোধ করলাম কিন্তু  সে আমার অনুরোধের একটু ভ্রক্ষেপ ও করল না ফলে দেখা গেল জ্যামে আটকে থাকা অসংখ্য রিক্সা, সিএনজি যাত্রী ও পথচারী সকলে চরম শব্দ দূষণের স্বীকার হলো।  আবার দেখা গেল আমরা একদল পথচারী নিরাপদ দুরুত্বে অপেক্ষমান কিংবা কেহ হাঁটছি এমতাবস্থায় একটি মোটর সাইকেল হঠাৎ আমাদের কাছাকাছি এসে তীব্র শব্দের হরণটি চেপে ধরল তাতে আমরা অনেকে ভ্যাবা চ্যাকা খেয়ে দেখলাম যে মোটর সাইকেলটির সামনে একটি রিক্সা খুব ধীরে ধীরে যাচ্ছে অথচ মোটর সাইকেলের ডান পার্শ্বে যথেষ্ট জায়গা ছিল তবুও সে হরণ ব্যবহার করল। আবার দেখা গেল রাস্তার পাশ ধরে আমি একা হেঁটে যাচ্ছি আমি ছাড়া কোন লোক বা গাড়ী নাই অথচ বিপরীত দিক থেকে একটি মোটর সাইকেল তীব্রতার সহিত আমার কাছা কাছি এসে উচ্চ শব্দের হরণ বাজিয়ে চলে গেল। আমি আমার কানে আঙ্গুল দিয়েও শব্দের তীব্রতা হইতে রক্ষা পেলাম না। আবার দেখা গেল রাস্তায় প্রচুর জ্যাম সকল গাড়ীই প্রতিবার এক ফুট এর বেশি এগোতে পারছে না এমতাবস্থায় শুধু একটি মোটর সাইকেল একটি রিক্সকে ওভারটেক করার জন্য অনবরত 120 ডেসিবলের হরণটি বাজিয়ে চলছে। এতে শুধু রিক্সা আরোহী নয় জ্যামে আটকে পরা সকলেই ক্ষতিগ্রস্থ হলো। আবার দেখা গেল একটি মোটর সাইকেল আরোহীর যাত্রা শেষ হচ্ছে গলিটির ১০গজ এর মাথায় কিন্তু সে এইটুকু রাস্তা পার হওয়ার জন্য মোটর সইকেল এর গতি হঠাৎ 100 কিঃমিঃ বাড়িয়ে প্রচণ্ড ‍উচ্চ শব্দের হরণ বাজিয়ে গন্তব্যে গিয়ে হঠাৎ  থেমে গেল। এতে গলির মধ্যে অবস্থানরত পথচারী সহ বসবাসরত সকলেই ক্ষতিগ্রস্থ হল। আবার দেখা গেল ঢাকা শহরের অসংখ্য ছোট ছোট অলিগলি যে গুলোর প্রস্থ ১২ থেকে ১৪ ফুট আর দুই পাশে শুধু আবাসিক ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান , ভ্রাম্ম্যমান ব্যবসায়ী, হকার, অসংখ্য পথচারী এরই মধ্যে দিয়ে অবিবেচক অসংখ্য মোটরচালক সারাক্ষণ বিরামহীন ভাবে উচ্চ শব্দের হরণ চেপে ধরে বসে থাকে সুযোগ পেলে বীরদর্পে ধীর গতিতে এগিয়ে চলে। তাতে সে যে দ্রুত গতিতে অল্প সময়ে যেতে পারল তা নয় বরং স্বাভাবিক গতিতেই তাকে যেতে হল অথচ মাঝখানে উচ্চ শব্দের কারণে আশপাশের সকল মানুষজন ক্ষতিগ্রস্থ হল এবং সরু গলি সমূহ মিনিটে মিনিটে প্রকম্পিত হয়ে উঠল, মানুষ জন আতংকিত হয়ে উঠল, ঘুমন্ত শিশু ও বয়স্করা ভয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠল । এইধরনের যন্ত্রণাদায়ক ঘটনা যে হঠাৎ হয় তা নয় এই ধরনের ঘটনা ঢাকা শহরের নিত্য দিনের বিষয়। হরণ ব্যবহারের ওপর কঠোর আইন এবং আইনের প্রয়োগ এবং নীতিমালা না থাকায় আমাদের আজ এমন দুরাবস্থা। যা এখন মহামারীর আকার ধারণ করেছে। সুখের বিষয় হলো আমি লক্ষ্য করেছি ৫০টি দামী প্রাইভেট কার সরাদিন রাস্তায় চললে যতটুকু হরণ ব্যবহার করে বা শব্দ দূষণ করে (যদিও এসব কারের ইঞ্জিনের শব্দ ও হরণ শব্দ দূষনের মাত্রায় পড়ে না) সেটুকু রাস্তায় ১লক্ষ টাকার ১টি মোটর সাইকেল তার চেয়ে ১০০০গুন বেশি হরণ ব্যবহার করে থাকে।  মনে হয় এ যেন একটা ছেলেখেলা। ইচ্ছে হলো হঠাৎ স্পীড ১০০ কিঃমিঃ বাড়ালাম ইচ্ছে হলো হরণ একটানা বাজিয়ে গেলাম।  যা রীতিমত আতংকজনক। অথচ সে চাইলে এর পরিমাণ মাত্র ১০গুনে নামিয়ে আনতে পারে। কিন্তু সে তার লক্ষ টাকার গাড়ীর দাম্ভিকতা, অতিরিক্ত স্বাধীনতা অথবা অজ্ঞতার (যদিও এদের বেশিরভাগই প্রশিক্ষণ এবং লাইসেন্সবিহীন) কারণে পরিবেশ এবং সমাজের এমন ক্ষতি করে থাকে। মূলত: এসব উচ্চ শব্দের হরণ যে সকল রাস্তায় ৬০কিঃমিঃ এর ওপরে গাড়ী চালানো সম্ভব সে সকল হাইওয়েতে এসব হরণ ব্যবহার করা যাইতে পারে। তবে আইন অনুযায়ী হাইড্রোলিক হরণ সবত্রই নিষিদ্ধ। বড় বড় গাড়ী থেকে এসব ক্ষতিকর হরণ যদিও অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে কিন্ত ছোট ছোট গাড়ী গুলো সে শুণ্যতা পূরণ করে যাচ্ছে (প্রশাসনের চোখের সামনে) যা সত্যিই দুখঃজনক। আমি ভুক্তভোগী সকল মানুষের পক্ষ থেকে এমন  অব্যবস্থাপনার দ্রুত অবসান চাই।


অন্যদিকে অতিসম্প্রতি এই সমস্যা ঢাকার বাহিরেও ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাটারী চালিত অসংখ্য  অবৈধ/অনুমোদিত অটোরিক্সার কারণে । এটা এখন একটা ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রাণঘাতী মহামারী বটে । এই অটোরিক্সার চালকদের নাই কোন শিক্ষা ফলে তাদের মধ্যে শব্দ দূষনের জ্ঞান কিংবা বেপরোয়া রিক্সা চালানোর কুফল বা যথেচ্ছ উচ্চ শব্দের হরণ ব্যবহারের কুফল অনুধাবন করা সহজ নয়। শুধু তা নয় এই বাহণ গুলো এত বেপরোয়া গতিতে চলে যে এসব বাহনে দ্রুত এবং নিরাপদ  নিয়ন্ত্রনের কোনরূপ ব্যবস্থা নাই। এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেও তারা ৩থেকে ৪ জন যাত্রী বহণ করতে দ্বিধাবোধ করেনা। ফলে প্রায়ই দেখা যায় একটু ধাক্কা লাগলে বা একটু কাত হলে বা যাত্রীর চাপে এসব অটোরিক্সার সরু (চিকন) চাকাগুলো বাঁকা হয়ে দুমুড়ে মুচড়ে যাত্রীসহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকে। আবার দেখা যায় শহরের ভিতরে বা বাহিরে এসব অটো রিক্সার সামনে পিছনে লেখা থাকে ‘‘আমি প্রতিবন্ধী আমাকে ধাক্কা দিবেন না।’’ অথবা ‘‘ আমি প্রতিবন্ধী, আমার সাহয্যার্থে আমার রিক্সায় ওঠুন।’ এখন প্রশ্ন হলো একজন প্রতিবন্ধী সে নিজেই ঝুকিঁপূর্ণ সে কি করে অন্যকে ঝুকিঁমুক্ত রাখবে ? প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে সে কোন সাহসে কাদের পরামর্শে এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার সুযোগ পায় ? তাই তাদেরকে প্রশাসন এর মাধ্যমে জোর পূর্বক এইসব অটোরিক্সা বন্ধ করা সহ এই সব রিক্সা হতে ব্যাটারী ও হরণ অপসারণ করাতে হবে। নতুবা সারা দেশের মানুষ অপরিমেয় ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হবে।


 এই অবস্থা হতে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমি চলমান সকল মোটর সাইকেলের এসব ক্ষতিকর হরণ অপসারণ করা সহ সহণশলি মাত্রার হরণ সংযোজন এবং সকল চালকদের হরণ ব্যবহারের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


 


পরিশেষে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই সম্প্রতি (২০/০৪/২০১৯) আমার লেখা বিআরটিসির ফ্যান সংক্রান্ত একটি অভিযোগের বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে এবং আপনার প্রয়োজনীয় গৃহীত পদক্ষেপের জন্য।


 


ধন্যবাদ


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ, উচ্চ শব্দের হর্ণ বন্ধে পরিচালক রোড সেফটি শাখা থেকে লিফলেট বিতরণ ও বিআরটিএ’র মোবাইল কোর্ট নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।


9510. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : চট্টগ্রাম
তারিখ ও সময় : 14 Jun, 2019 16:50:46
বর্ণনা :

  1. আমি একজন ছাত্র। আমি জানতে চাই ছাত্রদের হাফ ভাড়া নিয়ে কোনো আইন নেই কেনো? মন্ত্রীসাহেব মুখে বলছেন হাফ ভাড়া নিতে একজন মন্ত্রীর হিসাবে তার এইটুকু জানার কথা যে তার মুখের কথায় দেশ চলেনা। ছাত্রদের এতো আন্দোলনের পরও কিভাবে আপনাদের টনক লড়লো না। কোনো আইন ছাড়া হাফ ভাড়ার কথা বলে ছাত্র আর বাস শ্রমিকদের সাথে মারামারি লাগিয়ে দিয়ে আপনারা জনগণের টাকায় কিনা সরকারি গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে লজ্জা করে না।খবরের কাগজে প্রতিনিয়ত আসে ছাত্ররা বাসশ্রমিক দের সাথে মারামারি করে আহত,নিহত হচ্ছে ।মারামারি লাগবে নাইবা কেনো, কোনো নিয়ম নেই কারা হাফ ভাড়া নিবে,কতো নিবে, কখন নিবে, কারা দিতে পারবে,কারা পারবেনা কিছুই তো বলা নেই!! সিলেটে কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে বাস থেকে ধাক্কাদিয়ে ফেলে মেরে ফেলা হয়েছে, সেই ছেলেটা কি হতে পরতোনা আপনাদের মতো সচিব,অফিসার? আমি প্রতিদিন কলেজে আসা যাওয়া সময় বাসের ভাড়া নিয়ে ঝগড়া করতে হয় এমনকি ঘটনা মারামারি অবস্থায় গিয়ে দাঁড়ায়। ভারতে ৯ রুপি দিয়ে ৪০ কিলোমিটার যাতায়াতের করে।দিল্লিতে মাসে ২০০ টাকা দিয়ে এসি বাসে পুরোমাস যাতায়াত করে ছাত্ররা। সামান্য প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সাথে এই সব বিষয়েে তুলো করা যায় না আবার সুইজারল্যান্ড এর সাথে বাংলাদেশের তুলনা করতে আসে মন্ত্রী সাহেবরা। প্রতিদিন মাইকের সামনে লম্বা লম্বা কথা আর নতুন নতুন  আশার বাণী না শুনিয়ে আগের কথাগুলো বাস্তবায়ন করলে সবার লাভ হবে দেশের লাভ হবে। না হয় জনগণের কাছে, ছাত্রদের কাছে আপনারা নিলর্জ্জ ইতর প্রানী হিসেবে পরিচিত হবেন।                          


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ, অভিযোগের বিষয়টি বিদ্যমান মোটরযান আইন ও বিধিতে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে ভাড়া আদায়ের ব্যবস্থা থাকলেও বাস ভ্রমনে বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে হাফ পাশ বা হাফ ভাড়া আদায়ের কোন সুযোগ নেই। তবে, হাফ ভাড়া  নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ গাড়ির কোম্পানী এবং মালিকের  উপর নির্ভর করে, এখানে বিআরটিএ’র আইনগতভাবে করণীয় কিছু নাই।