.:সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন:.    Back to Home | Search by Id 
Back to Home Page
 


Your IP Address: 3.228.21.204
Your Client IP Address: 3.228.21.204
Your Server IP Address: 3.228.21.204
Your Browser: CCBot/2.0 (https://commoncrawl.org/faq/)

সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন
প্রদানকারীর নাম : *

ফোন নম্বর: *


ই-মেইল : *


স্হান, জেলা : *

বর্ণনা : *

সমস্যার/ক্ষতিগ্রস্থ স্থানের ছবি (যদি থাকে):
(Max size : 2MB)

আরো ছবি দিন


কোড নম্বরটি লিখুন



তথ্য প্রদানে কোনো কারিগরী ত্রুটির সম্মুখীন হলে যোগাযোগ করুন - ৯৫৭৫৫২৭ এই নম্বরে, E-mail : programmer1@rthd.gov.bd

 
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত তথ্য
Print  
9774. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : ফুলবাড়িগেইট, খুলনা
তারিখ ও সময় : 05 Jun, 2020 12:20:10
বর্ণনা :

জনাব,


 খুলনা টু চট্টগ্রাম নন এসি বাসের ভাড়া ছিলো ৮০০ টাকা।


৬০% বাড়ালে ১২৮০ টাকা হয়, সেক্ষেত্রে সৌদিয়া  পরিবহণে


নিচ্ছে ১৪০০ টাকা যাত্রী প্রতি।  এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি


আকর্ষণ করছি। 


জবাব :

See Reply

আপনার অভিযোগের জন্য ধন্যবাদ,

সরকার নিরধারিত ভাড়া অনুসারে এবং অতিরিক্ত ৬০% হারে ভাড়া বাড়ানো হলেও আপনার কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হয়নি।

সংযুক্ত ফাইলটি দেখার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ধন্যবাদ। 


9772. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Kallyanpur, Dhaka
তারিখ ও সময় : 01 Jun, 2020 04:50:24
বর্ণনা :

কল্যাণপুর,  ঢাকা থেকে নওগাঁর বাস ভাড়া পূর্বে ছিল ৪০০টাকা,  ৬০% বৃদ্ধি হলে ৬৫০ টাকা হতে পারে । কিন্তু শ্যামলী এন আর ট্রাভেলস ৮০০ টাকা নিয়েছে । এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি ।


জবাব :

See Reply

আপনার অভিযোগের জন্য ধন্যবাদ,

সংশ্লিষ্ট বাস মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরে তাদের বিরুদ্ধে আইনত অভিযোগের বিষয়ে ০৩(তিন) কর্মদিবসের মধ্যে কারন দর্শাতে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। কারন দর্শানোর জবাব পাবার সাথে সাথে তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে।


9771. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : লালমাই গোলচত্বর হতে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত সড়ক।
তারিখ ও সময় : 31 May, 2020 09:27:04
বর্ণনা :

শ্রদ্ধেয় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় 


সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়


বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা -1000


বিষয়:-কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের লালমাই গোলচত্বর হতে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত সড়ক চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ দ্রুত শুরু করার আবেদন।


 


মহোদয়


সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, কুমিল্লা হতে নোয়াখালী মহাসড়কের লালমাই গোলচত্বর হতে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত প্রায় 15 কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক অংশটি চার লেনে উন্নীত করণের জন্য অনেক আগেই মূল্যায়ন শেষে ঢাকায় ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানা যায়। এদিকে এই সড়কের অন্য প্যাকেজ গুলোর কাজ এগিয়ে চলছে কিন্তু এই লালমাই গোলচত্বর হতে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত প্রায় 15 কিলোমিটার অংশের কাজ এখনো শুরু না হওয়ায় এই সড়ক দিয়ে যান চলাচলে সহজেই সুফল পাওয়া যাবে না বলে এখানকার সুধীজন মনে করছেন।দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হচ্ছে এই কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়ক টি।বলা যায় প্রায় দেড় কোটি মানুষ সরাসরি এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে এখন।


দক্ষিণ কুমিল্লা এবং বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কগুলোতে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত প্রায় 15 কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক অংশটির চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ দ্রুত শুরু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় সড়ক মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।


বিনীত নিবেদক


হারুন অর রশিদ (হারুন)


লাকসাম হাউজিংয়ে স্টেট, লাকসাম।


জবাব :

See Reply

জনাব,

অভিযোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ,

‘‘কুমিল্লা(টমছমব্রীজ)-নোয়াখালী(বেগমগঞ্জ) আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীতকরণ” প্রকল্পের প্যাকেজ-০২ এর আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন কুমিল্লা-চাঁদপুর (আর-১৪০) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইঃ ১১+১০০ হতে ২৮+১০০ = ১৭.০০ কিলোমিটার (লালমাই হতে চন্দনা) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। উক্ত প্যাকেজের দরপত্র ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটিতে অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া মাত্রই কাজ শুরু করা হবে।  


9769. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : রংপুর সদর
তারিখ ও সময় : 20 May, 2020 12:04:21
বর্ণনা :

সড়ক ও জনপথ অফিসের কর্মকর্তার আতোয়ার  রহমানের ক্ষমতার অপব্যবহার ||


সারকথা : দমদমা ব্রীজ সংলগ্ন বধ্যভূমির সামনে ঘর তোলা কে পুঁজি করে
রংপুর ট্র্যাক মালিক সমিতির অফিসের ভিতরের আসবাবপত্র  বাহিরে ফেলে দেওয়াসহ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ফেস্টুন অবমাননা করা হয় , যাহা এখনো ওই অবস্থায় রয়েছে। উক্ত বিষয়ে তাজহাট মেট্রোপলিটন থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে।  যা এখনো এ অবস্থায় রয়েছে।  

বিস্তারিত :
রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের দমদমা ব্রীজ সংলগ্ন বধ্যভূমির সামনে  সড়ক ও জনপথ অফিসের কর্মকর্তার আতোয়ার  রহমানের মার্কেটে ভাড়া নেওয়া রংপুর ট্র্যাক মালিক সমিতির অফিস।


রংপুর ট্র্যাক মালিক সমিতির সম্পাদক আশরাফুল আলম উক্ত মার্কেটের মালিকের সঙ্গে কথা বলে একটি টিনশেড ঘর মার্কেটের সামনে তুলতে ধরে , কাজ শুরুর একদিন পর ভূমি অফিস থেকে জানানো হয় ওই জমি রংপুর সড়ক ও জনপথ অফিসের।  

এ কথা শোনার পর ওই জমিতে ঘর তোলার  কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।  
কিন্তু কাজ বন্ধের একদিন পর সড়ক ও জনপথ এবং  ভূমি অফিস থেকে উক্ত মার্কেটের মালিক আতোয়ার  রহমানকে  নির্মাধীন ভিত্তি ভেঙে দেওয়ার  মৌখিক ভাবে বলা হয়।  পরে ওই দিনে তা ভেঙে দেওয়া হয়।  
আবার পরের দিন সড়ক ও জনপথ এবং  ভূমি অফিসের কর্মকর্তাগণ পরিদর্শন করে আসে।

  এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  তিনি রংপুর ট্র্যাক মালিক সমিতির অফিসের তালা খুলে অফিসের ভিতর দেখেন , এ সময়ে অফিসের ভিতরের আসবাবপত্র সবকিছু বাহিরে ফেলে দেওয়া হয়।  
এমনি ভাবে আজ পর্যন্ত বাহিরে সব পরে আছে।  
 
তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন , জেলা প্রশাসক ও মেট্রো পুলিশ কমিশনার জানেন , ওখানে কথা বলেন।  

আপনার  কাছে বিনীত নিবেদন , রংপুর জেলা ট্রাক,ট্যাংলরী,কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর মালিক সমিতি সরকারের রেজিস্টার্ড একটি সংগঠন  যার নম্বর- রাজ-৩১৭৫।  যদি কোন অন্যায় , অপরাধ মূলক কাজ করে থাকে এই সংগঠন তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হউক।  কিন্তু এ ভাবে কেনো।

আপনার সুদৃষ্টি আসা করছি।  

ছবি গুলো দেখুন :  রংপুর দমদমা , ট্রাক মালিক সমিতির অফিস বন্ধ করতে এমনি ভাবে সব বাহিরে ফেলে দেওয়া হয় পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে কিন্তু কথা বলার কেউ নাই । নিজের বিবেকের কাছে যুদ্ধ করে শেষে পাঠালাম ।

এই মেইল যেখানে   যেখানে  পাঠানো হয়েছে ,

১. প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়
২.জনাব ওবায়দুল কাদের, এমপি মাননীয় মন্ত্রী
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
৩. মোঃ নজরুল ইসলাম
       সচিব , সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
৪.  কাজী শাহ্‌রিয়ার হোসেন
প্রধান প্রকৌশলী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
৫. রংপুর জেলা প্রশাসক
৬.রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)

# বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়
#বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ফেস্টুন দেখুন 


জবাব :

See Reply

অত্র সড়ক বিভাগাধীন  বর্নিত জায়গার অবস্থান ঢাকা-বগুড়া-রংপুর  জাতীয় মহাসড়কের দমদমা ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে ও সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত।  সওজ সড়ক বিভাগ রংপুর কর্তৃক অধিগ্রহনকৃত ভূমিতে কে বা কাহারা আনুমানিক ১০ ফুট দৈর্ঘ্য ৭ ফুট প্রস্থ এবং ৪ ফুট উচ্চতার (দুই পাশ) অস্থায়ী সেমি পাকা চালাঘর নির্মান করছে মর্মে সহকারী কমিশনার (ভূমি ) রংপুর সদর ,রংপুর  সাসেক -২ প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলীকে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন এবং ১২/০৫/২০২০ তারিখ সকাল ১০.০০ ঘটিকায় পরিদর্শনের কথা বলেন। তৎপ্রেক্ষিতে ১২/০৫/২০২০ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভুমি),রংপুর সদর,রংপুর, ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহাকারি কর্মকর্তা, সাসেক-২ প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী ,সওজ,সড়ক বিভাগ রংপুরের সার্ভেয়ারসহ  সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় নির্মানাধীন স্থাপনাটি সওজ অধিগ্রহনকৃত ভূমিতে অবস্থিত এবং স্থাপনাটির দাবিদার কাউকে পাওয়া যায়নি। উক্ত স্থাপনাটি সড়ক সার্কেল, রংপুরে কর্মরত মোঃ আতাউর রহমানের ব্যক্তি মালিাকানা জমির স্থাপনার সামনে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) উপস্থিত পিছনের জমির মালিক আতাউর রহমানের ছেলেকে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলেন। অন্যথা পরের দিন ১৩/০৫/২০২০ তারিখে স্থাপনা অপসারন করা হবে মর্মে সহকারি কমিশনার (ভূমি),রংপুর সদর, রংপুর মৌখিকভাবে বলেন। তৎপ্রক্ষিতে রংপুর সড়ক বিভাগের সার্ভেয়ার বিষয়টি নি¤œস্বাক্ষরকারীকে অবহিত করলে, তিনি উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ ,সড়ক উপ-বিভাগ-১ কে সরেজমিন পরিদর্শনের নির্দেশ প্রদান করেন। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ ,সড়ক উপ-বিভাগ-১, উপ-সহকারি প্রকৌশলী, সওজ ,সড়ক উপ-বিভাগ-১ এবং সড়ক বিভাগ, রংপুরের সার্ভেয়ারসহ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে দেখা যায় নির্মানাধীন স্থাপনাটি সওজ অধিগ্রহনকৃত ভূমিতে অবস্থিত স্থাপনাটি অপসারনের জন্য উপস্থিত লোকজনকে সহকারি কমিশনার (ভূমি), রংপুর সদর, রংপুর অপসারনের জন্য মৌখিক নির্দেশনা পুন:ব্যক্ত করেন। তৎপ্রেক্ষিতে পরের দিন ১৩/০৫/২০২০ তারিখে সহকারি কমিশনার (ভূমি), রংপুর সদর সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় তিনিসহ তাজহাট মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ, সড়ক উপ-বিভাগ-১, রংপুরসহ উপস্থিত হলে দেখতে পান যে অবৈধ স্থাপনাটি ইতোপূর্বে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সওজ,সড়ক সার্কেল রংপুরে কর্মরত জনাব মোঃ আতাউর রহমান, অফিস সহকারীকে জিজ্ঞাসা করা হলে জানান যে, অবৈধ স্থাপনাটি নির্মাণ করে নাই মর্মে নিম্নস্বাক্ষরকারীকে অবহিত করেন। 


9768. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Fhorashal
তারিখ ও সময় : 20 May, 2020 12:00:41
বর্ণনা :

চিটাগং থেকে বি-বাড়িয়া হবিগঞ্জ সিলেট যাওয়ার রাস্তাটি অত্যন্ত সরু জেরও ডে কয়েক হাজার সিএনজি চলে এবং সঙ্গে সঙ্গে বড় গাড়ি চলে যার দরুন অধিকাংশ সময় রাস্তায় জ্যাম লেগে থাকে এবং দুর্ঘটনা ঘটে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে বিনীত নিবেদন উক্ত রাস্তা গতি সঞ্চালন করবেন


জবাব :

See Reply

জনাব,

অভিযোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ,

কুমিল্লা (ময়নামতি) –ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সরাইল) (এন-১০২) সড়কের যানজট সম্পর্কে অভিযোগ করেছেন। কুমিল্লা (ময়নামতি) –ব্রাহ্মণবাড়িয়া (সরাইল)         (এন-১০২) মহাসড়কটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম জাতীয় মহাসড়ক, যা দুটি জাতীয় মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম (এন-১) এবং ঢাকা সিলেট (এন-২) স্বল্প দূরত্বে সংযোগ করেছে। মহাসড়কটি ষাটের দশকে হালকা যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়েছিল, যার গড় প্রশস্থতা ১৮ ফুট। বর্তমানে সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীবাহী বাস এবং অত্যাধিত ভারবাহী ৪০/৫০ টন ওজনের ট্রাক সহ অসংখ্য স্থানীয় অটোরিক্সা ও সিএনজি চলাচল করে যার দরুন প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সড়কটি যৌথভাবে কুমিল্লা সড়ক বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগের আওতাধীন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগের আওতাধীন উক্ত মহাসড়কের চেইঃ ৪০+০০০ মিঃ হতে চেইঃ ৮২+৬৮২ মিঃ পর্যন্ত ।  সড়কটির  চেইঃ ৪০+০০০ মিঃ হতে চেইঃ ৪৩+৫৬০ মিঃ পর্যন্ত সড়কের পিরিয়ডিক মেইনট্যানেন্স প্রোগ্রাম (সড়ক-মেজর)  হতে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে কাজ করা হয়েছে । চেইঃ ৪৩+৫৬০ মিঃ হতে  চেইঃ ৫৩+৯৬৬ মিঃ পর্যন্ত সড়কের পিরিয়ডিক মেইনট্যানেন্স প্রোগ্রাম (সড়ক-মেজর)  হতে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে কাজ করা হয়েছে । চেইঃ ৪০+০০০ মিঃ হতে চেইঃ ৫৩+৯৬৬ মিঃ পর্যন্ত সড়কাংশটি ভাল এবং যানবাহন চলাচলের উপযোগী আছে। এছাড়াও আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্পে ধরখার থেকে সরাইল পর্যন্ত (চেইঃ ৫৪+০০০মিঃ হতে চেইঃ ৮১+০৫৪মিঃ) ৪-লেনে সড়ক উন্নীতকরণ প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত আছে। আরও উল্লেখ্য যে, LoC -3 এর আওতায় যৌথভাবে কুমিল্লা সড়ক বিভাগ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগ এর অবশিষ্ট সড়কাংশ চারলেন জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ করলে সম্পূর্ণ সড়কটির যানজট সমস্যার নিরসন হবে।  


9767. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Ghorashal
তারিখ ও সময় : 20 May, 2020 11:57:54
বর্ণনা :

চিটাগং থেকে সিরাজগঞ্জ রংপুর বগুড়া দিনাজপুর জেলাগুলোতে যাওয়ার জন্য একমাত্র ঢাকা-বাইপাস হল কাঞ্চন ব্রিজ হয়ে ভোগড়া বাইপাস সারা বছর রাত দিন 24 ঘন্টায় জামে পরিপূর্ণ থাকে সেখানে মীরের বাজার থেকে ভোগড়া বাইপাস পর্যন্ত 9 কিলোমিটার রাস্তা পার হতে স্বাভাবিকভাবে থেকে 7 ঘন্টা সময় লাগে এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের একান্ত মনোনিবেশ কামনা করছি এবং যতদ্রুত সম্ভব বাইপাস রাস্তার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখতে চাই


জবাব :

See Reply

জনাব, 

আপনার অভিযোগের জন্য ধন্যবাদ।

পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ (পিপিপি) প্রকল্পের আওতায় ঢাকা বাইপাস সড়কটি সার্ভিস লেনসহ ৪-লেনে মহাসড়কে উন্নীতকরণের নিমিত্তে বাংলাদেশ সরকার তথা সড়ক ও মহাসড়কের অধিদপ্তরের সহিত চায়না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিচুয়ান রোড এন্ড ব্রীজ কর্পোরেশনের সাথে গত ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯ইং তারিখে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর পরবর্তী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের Site Mobilization এর প্রাক্কালেই চায়নাতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হওয়ায় চুক্তিতে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তেমন কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারে নাই; যা বর্তমানে বাংলাদেশও অত্যন্ত চরম আকারে বিরাজমান থাকায় কার্য্ক্রম শুরুর বিষয়টি স্থবির হয়ে আছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের তথা সারা বিশ্বের এই প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে মুক্তি দিলেই বর্ণিত সড়কের কাজটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে শুরু করার সকল প্রস্তুতি রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বর্ণিত প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য ঢাকা বাইপাস সড়কটি অত্যন্ত দৃষ্টি নন্দন, আরাম দায়ক ও সময় সাশ্রয়ী সড়ক হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ঢাকা বাইপাস সড়কের মিরের বাজার হতে ভোগড়া পর্য্ন্ত ৯কি:মি: সড়কে ২টি রেলক্রসিং রয়েছে; যেখানে প্রতিদিন প্রায় ৬০/৬২ বার রেল পরিচালনার জন্য ক্রসিংগুলো বন্ধ রাখা হয়। ফলে ৯কি:মি দৈর্ঘ্যের এই সড়কাংশে ২টি রেল ক্রসিং থাকায় এবং ৬০/৬২ বার ট্রেন পরিচালনার জন্য রেল ক্রসিংদ্বয় বন্ধ থাকায় ২ পার্শ্বে দীর্ঘ গাড়ির সারি তৈরি হওয়ায় সড়কপথে পরিচালিত যানবাহনের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ভবিষ্যতে নির্মাণাধীন প্রকল্পের আওতাভূক্ত বিদ্যমান রেল ক্রসিং অংশে ২টি ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং একমাত্র ফ্লাইওভার নির্মাণ পরবর্তী উক্ত সড়কাংশ যানজট মুক্তকরণ সম্ভবপর হবে।


9766. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : dhaka
তারিখ ও সময় : 12 May, 2020 17:14:08
বর্ণনা :

ধানমন্ডি ৩২ সংলগ্ন শুকরাবাদে এই লাইসেন্সটি পাওয়া যায়। লাইসেন্সটি পৌছে দেওয়ার জন্য সাহায্য করুন।
নামঃ মোঃ নাদিম
পিতাঃ মোঃ সামাদ আলি
লাহিড়ী রঘুনাথপুর, হোসাইন্ডং, পাংশা, রাজবাড়ী।
 লাইসেন্স নং : DK0437921L00002,


Brtc, Dhaka metro-1


 


জবাব :

See Reply

ধন্যবাদ kazi sharif আপনার এই মহৎ কাজটি করার জন্য,

আমাদের বিআরটিএ’র ডাটাবেজ অনুযায়ী DK0437921L00002 ড্রাইভিং লাইসেন্সটির মালিক মোঃ নাদিম, পিতাঃ মোঃ সামাদ আলি, লাহিড়ী রঘুনাথপুর, হোসাইন্ডং, পাংশা,রাজবাড়ী।

মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯২৬৫৯০২৬৫

আমরা বিআরটিএ’র পক্ষ থেকে উভয়ের সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করি।লাইসেন্সটির মালিক মোঃ নাদিম জানান যে তিনি তার লাইসেন্সটি হারিয়েছেন এবং kazi sharif জানান যে তার কাছে বর্তমানে লাইসেন্সটি আছে এবং তিনি মালিককে ফেরত দিতে চান। আমরা উভয়কে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে লাইসেন্সটি দেবার অনুরোধ করি।

এবং মালিক যদি না আসেন তাহলে লাইসেন্সটি নিকটস্থ থানায় বা বিআরটিএ অফিযে জমা দেবার অনুরোধ করি।

তারা উভয়েই বিআরটিএ’র এ উদ্যেগকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আবারো ধন্যবাদ kazi sharif আপনাকে।


9762. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : কক্সবাজার
তারিখ ও সময় : 07 May, 2020 08:34:13
বর্ণনা :

যেসকল মানুষ জন বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়ে আছে, সেসকল মানুষেরা কিভাবে বাড়ি যাবে। যদি গণপরিবহন না চালু করা হয়। তাই অত্র মন্ত্রণালয়ের নিকট আমার আকুল আবেদন তাহাতে, ঈদের আগে অন্তত পাঁচটি (৫) দিন পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করেন।


জবাব :

See Reply

আপনাকে ধন্যবাদ। করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার সারাদেশে লক ডাউন ঘোষণা করেছে বিধায় আপনার অভিযোগের বিষয়ে এ বিভাগের কিছু করণীয় নাই।


9758. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : বগুড়া জেলা
তারিখ ও সময় : 03 May, 2020 19:08:14
বর্ণনা :

বাংলা বিশ্ব বিনোদন খেলা জীবনযাপন ইসলামী জীবন ভাইরাল প্রথম পৃষ্ঠা শেষ পৃষ্ঠা খবর শুভসংঘ


মোহন-মতিন বিরোধে ধুঁকছে বগুড়া আ. লীগ


 


এস এম আজাদ, বগুড়া থেকে


 


৪ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০


 


 


Share ShareTweetঅ+অ-


বগুড়া একসময় বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত ছিল। তবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী আগের চেয়ে বেড়েছে। কিন্তু কোনো ঐক্য নেই তাদের মধ্যে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চরম বিরোধে জড়িয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরিবহনে চাঁদাবাজি, মাদকের কারবার, সালিস-দরবার, দখল, টেন্ডারবাজিসহ কোটি কোটি টাকা আয়ের উৎস কবজা করতে মরিয়া জেলা যুবলীগের দুই পক্ষ।


 


বিবদমান দুই পক্ষের একটি নিয়ন্ত্রণ করছেন মা-মেয়ে নির্যাতনের ঘটনায় আলোচিত মামলার আসামি তুফান সরকারের বড় ভাই ও জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মতিন সরকার। আরেক পক্ষের নিয়ন্ত্রণ জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন। মতিন একসময় মোহনেরই সহযোগী ছিলেন। পরে দখল, নিয়ন্ত্রণ, কমিটি গঠন ও চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধ বাধে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, জেলা আওয়ামী লীগে বিভাজন ও যাবতীয় অপকর্মের নেপথ্যে এই দুই গ্রুপ। 


সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১২ বছরে বগুড়ায় ৩৬টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে গত সাত বছরেই ঘটেছে ২০টি। এর বেশির ভাগ ঘটনাই চাঁদাবাজি ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুবলীগের বিরোধ থেকে হয়েছে। এর পেছনে ছিল মোহন, মতিনসহ কয়েকজনের বিরোধ। মোহন এখন মতিনের বিচার চাইছেন, অথচ মোহনের প্রশ্রয়েই মতিন ও তাঁর ভাই তুফানের উত্থান হয়েছে। পরে মোহনের সঙ্গ ছেড়ে মতিন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের কাছে ভেড়েন। এরপর মোহন-মতিন বিরোধ আরো চাঙ্গা হয়েছে। তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে সাম্প্রতিক মা-মেয়ে নির্যাতনের ঘটনা। এরপর মতিনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


 


বিরোধের কথা স্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মূল দলে নয়, সব ঝামেলা যুবলীগের বিরোধে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখল যা দেখছেন তারাই করে। তাদের ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই। আমি ওপরে সব জানিয়েছি। এখানে দল করার লোকই পাওয়া যায় না। আর তারা নানা বিষয়ে বিরোধ বাধিয়ে, অপকর্ম করে পরিবেশ ঘোলাটে করে ফেলেছে।’


 


মতিন তো আপনার সঙ্গেই রাজনীতি করেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘আপনারাই খোঁজ নেন মতিন কার লোক।’


সবার মুখে মতিনের ‘ভাই বদল’ : জেলা আওয়ামী লীগ ও পুলিশের কয়েকটি সূত্র জানায়, প্রায় ২০ বছর আগে মোহনের হাত ধরেই মতিন যুবলীগের রাজনীতি শুরু করেন। সে সময় সংগঠনের জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন মোহন। অল্পদিনের মধ্যেই মতিন তাঁর অন্যতম ক্যাডার হয়ে ওঠেন। ১৯৯৮ সালে এক কর্মীকে মারধরের জের ধরে যুবলীগ থেকে মোহনকে বহিষ্কার করা  হয়। তখনো মতিন তাঁর গ্রুপে ছিলেন। ২০০৮ সালে বগুড়ায় শহর যুবদল নেতা খোকন ও ডলারের নেতৃত্বে সংরক্ষিত আসনের আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য কামরুন্নাহার পুতুল ও যুবলীগ নেতা লিটন পোদ্দারের ওপর হামলা হয়। তখন মোহনের নির্দেশনায় দলবল নিয়ে খোকনের ওপর হামলা চালিয়ে ঘটনার প্রতিশোধ নেয় মতিন। এর জের ধরে মতিনের ওপর হামলা চালায় খোকনের ছোট ভাই ইমরান। ২০১২ সালের ২ ডিসেম্বর শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় ইমরানকে। এ হত্যা মামলায় মতিনের ছোট ভাই তুফানও আসামি।


 


দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, মতিনের ওপর হামলার পর বিরোধের কারণে যুবদলের কর্মী হলেও ইমরানকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন মোহন। তাই ইমরান হত্যাকাণ্ডের পর মতিনের বিরুদ্ধে এ ঘটনার পরিকল্পনার অভিযোগ ওঠে। ১৯৯৮ সালে রসুল নামে মতিনের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী খুন হয়। এর দুই বছর পর বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার হলেও জামিনে ছাড়া পান মতিন। চামড়াপট্টি এলাকায় তাঁর সহযোগী ছিল উজ্জল মুন্সি। রসুল খুনের জের ধরে ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর চকসূত্রাপুরে উজ্জলকে খুন করা হয়। এই মামলার আসামি মতিন। এ মামলায় পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার আদালত মোহনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করেছেন।  


 


অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুই বছর ধরে মোহন ও মতিনের মধ্যে বিরোধ চরম আকার নিয়েছে। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছে, শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাশকতার মামলার আসামি সেতুকে যুবলীগে নেন মোহন। এরপর তাঁকে শহর যুবলীগের সহসভাপতির পদও দেওয়া হয়। মতিন এর ঘোর বিরোধী ছিলেন।


 


গত বছর সম্মেলনের মাধ্যমে বগুড়া জেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়। তখন মোহনের মনোনীত প্যানেল ছিল বর্তমান সভাপতি লিটন পোদ্দার ও সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু। এই প্যানেলের বিরুদ্ধে নিজে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হন মতিন। সভাপতি প্রার্থী হন সাগর কুমার রায়। মোহনের চাপে সাগর প্রার্থিতা থেকে সরে যান। পরে কেন্দ্রীয় নেতারা মতিনকে বুঝিয়ে প্রার্থিতা থেকে সরিয়ে নেন। মোহনের আনুগত্য না মেনে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে


সূত্র জানায়, ২০১২ সালের ২৪ আগস্ট র‌্যাব মতিনকে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার করে। সে সময় আবার মোহনের নেতৃত্বে মতিনের মুক্তির দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন হয়। তবে নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধের কারণে পরে তাঁরা কখনোই এক হয়ে কাজ করেননি। গত দুই বছর মতিন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। জেলা ও শহর যুবলীগের কয়েকজন নেতা বলেন, মতিনের ‘ভাই বদলের’ কারণে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত হয়েছে। কিন্তু বিপদও বেড়েছে। এখন ভাই তুফানের অপকর্মে আরো চাপে পড়েছেন তিনি।  


 


পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এক নেতা বলেন, ‘মতিন ও মোহনসহ কয়েকজন এখানকার আওয়ামী লীগের বিষফোড়া। চাঁদাবাজি ও অপকর্মের জেরে তাদের মধ্যে ভয়ংকর বিরোধ চলছে। এতে দলের ১২টা বাজছে।’ 


 


চাঁদাবাজির হিসাব-নিকাশ : অনুসন্ধানে জানা গেছে, বগুড়ায় ২০১২ সাল থেকে জুয়ার আসর বসাতে শুরু করে যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান ও মতিনসহ কয়েকজন। জুয়ার আসর থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা উঠত। সেখান থেকে জেলার আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনসহ বিভিন্ন মহলে টাকা যেত। মোহন একাই দিনে নিতেন এক লাখ ২০ হাজার টাকা। একপর্যায়ে মতিন ওই টাকা দেওয়ার বিপক্ষে দাঁড়ান। এ নিয়ে বাধে চরম বিরোধ। এখন অবশ্য সেই মেলা বন্ধ। 


 


কয়েকটি সূত্র জানায়, ২০১২ সাল থেকে বগুড়ায় পলিথিন কারবারের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ মোহনের কবজায়। শহরের চুড়িপট্টি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বৈরাগী অবৈধ পলিথিন বেচাকেনার কারবার নিয়ন্ত্রণ করেন। তিনি মোহন সিন্ডিকেটকে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের মাসোয়ারা দেন। এই খাতটি একক দখল থেকে মুক্ত করতে চাইছে প্রতিপক্ষ।


 


বগুড়ার ওপর দিয়ে চলাচল করলেই দূরপাল্লার প্রতি বাসের জন্য দিনে আড়াই শ টাকা দিতে হয় শ্রমিক লীগকে। রাতেও একই হারে চাঁদা তোলা হয়। প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ৫০০ বাস চলাচল করে। দিনের টাকা তোলা হয় জেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন শেখ হেলালের নামে। রাতের টাকা তোলা হয় জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবদুল লতিফ মণ্ডলের নামে। এসব টাকার ৪৫ শতাংশ যায় জেলা বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক মোহনের পকেটে। ওই সংগঠনে নির্বাচন না হওয়ায় দীর্ঘদিন সভাপতি তিনি। 


 


জেলায় সিএনজি আটোরিকশা মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নামে চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণও মোহন সিন্ডিকেটের দখলে। তুফান সরকার নিয়ন্ত্রণ করতেন ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যানের চাঁদাবাজি।  


 


বিরোধের জেরে খুনোখুনি : যুবলীগের কয়েকজন নেতা জানান, মতিন ও মোহনের বিরোধের জের ধরে বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বগুড়া পুলিশ লাইনের পাশে একটি জায়গা দখলের টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের ২৬ মে জেলা যুবলীগ নেতা মজনু মিয়া ও তাঁর ভাতিজা যুবলীগের কর্মী নাহিদ হাসান খুন হন। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ২০১২ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাতে শহরতলির ফুলতলা-চকতানপাড়া এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় জেলা যুবলীগের কর্মী শামিম হোসেন ওরফে বুশকে। এর দুই দিন আগে টেন্ডারের ভাগ নিয়ে বিরোধে শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল আনাম ওরফে রেক্কাতকে রহমাননগরে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই বছরের ২৯ নভেম্বর শহরের খান্দারে শহর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক সুজানুর রহমান ওরফে সুজন খুন হন আধিপত্যের বিরোধে। ২০১১ সালের ২৪ মে শহরতলির ফুলদীঘি হর্টিকালচার সেন্টারে প্রতিপক্ষের গুলিতে খুন হন যুবলীগ নেতা আমিনুর রহমান শাহীন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মজনুও ২০১৩ সালে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়। ২০১০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের নারুলীতে গুলিতে খুন হন জেলা শ্রমিক লীগের সাবগ্রাম বন্দর শাখার সভাপতি হাসানুজ্জামান ওরফে নাসিম এবং সাধারণ সম্পাদক ইসরাইল হোসেন ওরফে রঞ্জু। বালু ব্যবসার বিরোধের জের ধরে ২০১০ সালের ৪ জুন শহরের শিববাটি সেবক সমিতিতে গুলি করে হত্যা করা হয় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন জুয়েলকে। ওই ঘটনায় যুবলীগ নেতা ওমর খৈয়ামসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়। একই বছরের ২৭ এপ্রিল রাতে শহরের মাটিডালিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে খুন হন রাজাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক। ১২ ফেব্রুয়ারি নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইউছুফ আলীকে পিটিয়ে হত্যা করেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান জুয়েল। ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি বালু ব্যবসা ও আধিপত্য বিরোধের জেরে খুন হন যুবলীগের নাটাইপাড়া আঞ্চলিক কমিটির সদস্য সবুজ মিয়া। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে শহরের মালতিনগরের যুবলীগকর্মী হলদে রিপন ওরফে গালকাটা রিপনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 


 


একইভাবে শেখেরকোনা ইউনিয়নে শফিক, গাবতলীতে যুবলীগ নেতা তারেক, ছাত্রলীগ নেতা সমর, শহরের কলোনি এলাকায় মাসুম ও মামুন নামে দুই ভাই এবং কমার্শিয়াল কলেজে ছাত্রলীগ নেতা উজ্জলকে হত্যা করা হয়।


 


মাদকের ফাঁদে নিয়ন্ত্রণ সিন্ডিকেট : অনুসন্ধানে জানা গেছে, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে এখনো চলে মাদ


জবাব :

See Reply

আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার অভিযোগের বিষয়টি এ বিভাগ সংশ্লিষ্ট নয়।


9757. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : বগুড়া জেলা
তারিখ ও সময় : 03 May, 2020 18:58:12
বর্ণনা :

হোম » রাজনীতি


বগুড়ায় ক্ষমতাসীন দলের নামে দুর্বৃত্তায়ন


পাঁচ নেতার ২৭ ক্যাডার


প্রিন্ট সংস্করণপ্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০১৭, ০২:৩৮:২৬


 


উত্তরবঙ্গের জেলা বগুড়ার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার হচ্ছে ক্যাডার বাহিনী। ক্ষমতাসীন দল ও অঙ্গসংগঠনের পাঁচ নেতা এদের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন। এই পাঁচ নেতার অন্তত ২৭ ক্যাডার দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বগুড়া। শাসক দলের নাম ব্যবহার করে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন এরা। কামাচ্ছেনও দু’হাতে। রাজনীতির বাইরে চাঁদাবাজি ও দখলবাজিতে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব ক্যাডারকে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পরিবহনে চাঁদাবাজি ও বালুর ব্যবসাসহ সবকিছুতেই ব্যবহার করা হচ্ছে ক্যাডার বাহিনী। তাছাড়া আধিপত্য বিস্তারেও এদের কদর অনেক বেশি। এই সুযোগে ক্যাডাররা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। নেতাদের অজান্তেও ঘটছে অনেক অঘটন। এসব ক্যাডারের মধ্যে হত্যা মামলার আসামিও রয়েছে। এসব ক্যাডার নিজেদের শক্তিমত্তা বাড়াতে দলে ভেড়াচ্ছে নিজেদের পছন্দমতো শতাধিক ক্যাডার। দিন যত যাচ্ছে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে এসব ক্যাডার। জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।


 


ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে ক্যাডার নিয়ন্ত্রণে শীর্ষে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন। শুধু ক্যাডার নিয়ন্ত্রণই নয়, ক্যাডার তৈরিতেও তার অবস্থান শীর্ষে। যুবলীগের নাম ব্যবহার করে যেসব ক্যাডার বগুড়ার রাজনীতির মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন তাদের অধিকাংশই তার নিয়ন্ত্রণে। তিনি দীর্ঘদিন জেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।


 


 


অপরদিকে পরিবহন খাতের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক কেনাবেচা, হাটবাজারের ইজারা, বালুর ব্যবসাসহ বগুড়ার অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করছেন সাময়িক বহিষ্কৃত শহর যুবলীগের যুগ্ম-সম্পাদক মতিন সরকার, জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন শেখ হেলাল ও শহর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক আবদুল মান্নান। এই তিন নেতাই তাদের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখার জন্য ক্যাডার বাহিনী লালন-পালন করছেন। ক্যাডারদের ব্যবহার করেই তারা বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। বগুড়া শহরজুড়েই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই ক্যাডার বাহিনী। এরা প্রায়ই দলবেঁধে চলাফেরা করেন। তবে এই তিন নেতা নিজেরাও ক্যাডার হিসেবে পরিচিত। বগুড়ার ক্যাডার নিয়ন্ত্রণে পঞ্চম নেতা হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুর রহমান দুলু। তার ক্যাডাররা শাজাহানপুর এলাকার নিয়ন্ত্রণসহ সেখানকার চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি নিয়ন্ত্রণ করছেন।


 


আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, বগুড়ার ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতি দুটি ধারায় বিভক্ত। এর মধ্যে একটি ধারা নিয়ন্ত্রণ করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন। অপর অংশটির নিয়ন্ত্রণ করছেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন। তার নিয়ন্ত্রণে বিশাল ক্যাডার বাহিনী থাকলেও মমতাজ উদ্দিনের আশীর্বাদ রয়েছে আসাদুর রহমান দুুলু, মতিন সরকার, হেলাল এবং মান্নানের ওপর।


 


যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বলেন, দলে আমি কখনই সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিই না। বগুড়া একটি নেভেটিভ জোন। এখানে আমি দীর্ঘদিন ধরে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছি। আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগও নেই। তিনি অভিযোগ করেন, মোহনের নেতৃত্বে জেলা যুবলীগ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে। এসব কারণে নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্বে গত ৮ বছরে ৩৬ জন খুন হয়েছে। কথা হয় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের সঙ্গে। তিনি শুক্রবার মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, আমার নামে কোনো চাঁদাবাজির মামলা নেই। আমি কোনো সন্ত্রাসীকে প্রশ্রয় দিই না। কে সন্ত্রাসী হচ্ছে, কারা বানাচ্ছে আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন। জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন শেখ হেলাল শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো অবান্তর।


 


শহর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল মান্নান মোবাইল ফোনে যুগান্তরকে বলেন, দলের ছত্রছায়ায় কোনো কিছু করিনি। মতিন সরকারের সব কর্মকাণ্ডের দায়ভার নেব। তবে তার ভাই তুফানের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। আমার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ বগুড়ার কেউ বলতে পারবে না।


 


মতিন সরকার একটি খুনের মামলায় পলাতক থাকায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলুর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।


 


বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল আলম মোহনের ক্যাডার হিসেবে কাজ করছেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইব্রাহীম। চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ছিলেন। যুবলীগ নেতা আলহাজ্ব  শেখও মোহনের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত। তিনি সিএনজি-অটোরিকশার চাঁদা নিয়ন্ত্রণ করেন। তার বিরুদ্ধে    


জবাব :

See Reply

আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার অভিযোগের বিষয়টি এ বিভাগ সংশ্লিষ্ট নয়।