.:সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন:.    Back to Home | Search by Id 
Back to Home Page
 


Your IP Address: 3.209.80.87
Your Client IP Address: 3.209.80.87
Your Server IP Address: 3.209.80.87
Your Browser: CCBot/2.0 (https://commoncrawl.org/faq/)

সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত যে কোন সমস্যার তথ্য প্রদান করুন
প্রদানকারীর নাম : *

ফোন নম্বর: *


ই-মেইল : *


স্হান, জেলা : *

বর্ণনা : *

সমস্যার/ক্ষতিগ্রস্থ স্থানের ছবি (যদি থাকে):
(Max size : 2MB)

আরো ছবি দিন


কোড নম্বরটি লিখুন



তথ্য প্রদানে কোনো কারিগরী ত্রুটির সম্মুখীন হলে যোগাযোগ করুন - ৯৫৭৫৫২৭ এই নম্বরে, E-mail : programmer1@rthd.gov.bd

 
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রাপ্ত সড়ক যোগাযোগ সর্ম্পকিত তথ্য
Print  
9604. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Pirojpur sadar
তারিখ ও সময় : 15 Oct, 2019 23:34:16
বর্ণনা :

নমস্কার স্যার৷  আমি আনন্দ হালদার।  কলেজ শিক্ষাথী,  আজকে একটা ভয়াবহ পরিস্থিতিরসৃষ্টি হওয়ার কারনে আমি এই অভিযোগ করছি৷  বাংলাদেশের একটি রোড  শরীয়তপুর থেকে মাদারীপুর যায় এই রোড। পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে  এই রোড দিয়ে খুলনা,  বাগেরহা,  মংলা,  পিরোজপুর,  বরিশাল যাবার একটি সহজ রাস্তা৷ কিন্তু আজকে এই রোডের অবস্থা এতোটাই বিপদজনক হয়েছে আমাদের পরিবহনের সামনে ২টি গাড়ি উল্টে পড়ে  ও একটি এম্বুলেন্সের চাকা  নষ্ট হয়।  সবাই এখন সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছি জীবন বাচঁনোর জন্য৷  বলতে পারেন জীবন রক্ষার বাজী চলছে এখানে৷  এতোটা পরিমান খারাপ সড়ক হবার কারনে গাড়ি শুধু আনুমানিক ৩০° কোনে বেকে যাচ্ছে।  এবং সড়কের মধ্যে ঠালা হবার কারনে পরিস্থিতি আরো গভির এবং ভয়ংকর হচ্ছে৷  আমি সবার পক্ষথেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,  এবং      সড়ক ও সেতুমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি অতি শিগ্রহী যদি এই সড়ক ঠিক করা হয় তাহলে আগামী দূঃঘটনা থেকে বাঁচা যাবে।৷  লেখালেখির স্যার অভ্যেস নেই তাই বানান ভুল গেলে ক্ষমা এবং মার্জনা দৃষ্টিতে দেখবেন৷  



9603. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : খুলনা।
তারিখ ও সময় : 15 Oct, 2019 11:10:30
বর্ণনা :

বরাবর


মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়


সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ


বিষয়ঃ বিআরটিএ, খুলনা সার্কেল অফিসে সরকারি সেবার বিনিময়ে ঘুষ প্রস্তাব এবং হয়রানি প্রসঙ্গে।


মহোদয়



যথাবিহিত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক আপনার সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমি  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন সংস্থা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো), খুলনা-এর স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রকল্প দপ্তরে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছি। ওজোপাডিকো বর্তমানে ২১টি জেলার  ২০টি উপজেলার জরুরী বিদ্যুৎ বন্টনের  মাধ্যমে প্রায় ১১.৭ লক্ষ গ্রাহকগণকে উন্নত সেবা  প্রদানে সদা নিয়োজিত। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর  ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ওজোপাডিকো স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রকল্পের মাধমে গ্রাহক আঙ্গীনায় স্মার্ট প্রি-পেইড মিটার স্থাপন কাজ শুরু করেছে। জরুরী প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনের জন্য সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে সরকারী প্রতিষ্ঠান (এটলাস বাংলাদেশ লিঃ) থেকে ক্রয়কৃত ১০টি মটর সাইকেল-এর সকল ডকুমেন্ট এবং অফিসিয়াল চিঠি নিয়ে আমি ১১-০৯-১৯ তারিখ বিআরটিএ, খুলনা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) জনাব মোঃ আবুল বাশার সাহেবকে দেখাই এবং বর্ণিত মটর সাইকেলগুলোর নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য টাকা জমা প্রদানের নিমিত্তে এ্যাসেসমেন্ট ¯িøপ চাইলে তিনি আমাকে মটরযান পরিদর্শক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম-এর সাথে দেখা করতে বলেন। আমি জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম-এর সাথে দেখা করলে তিনি আমাকে বলেন যে কিছু ডকুমেন্টে সমস্যা আছে তাই প্রতিটি মটর সাইকেলের জন্য ২০০০.০০ (দুই হাজার টাকা) করে ১০টি মটর সাইকেলের জন্য তাকে মোট ২০,০০০.০০ (বিশ হাজার টাকা) দিতে হবে। এমতাবস্থায় আমি আমার পরিচয় দিয়ে তার এই অনৈতিক দাবির প্রতিবাদ করলে তিনি (সাইফুল ইসলাম) আমার সাথে খুব খারাপ আচরণ করেন এমকি  আনসার সদস্য দিয়ে আমাকে বের করে দেন। আমি তখন সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) জনাব মোঃ আবুল বাশার সাহেবকে বিষয়টি জানালে তিনিও আমাকে অবজ্ঞা করেন এবং এ্যাসেসমেন্ট স্লিপ এর জন্য ব্যাংকে যেতে বলেন। বিআরটিএ-এর দুই জন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এরুপ আচরনে আমি হতাশ  হয়ে যখন দাঁড়িয়ে আছি তখন বিআরটিএ শাখার এক আনসার সদস্য  আমাকে বলেন যে কোন লাভ হবে না স্যার (সাইফুল ইসলাম) এর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান দেখবেন দ্রæত রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। বর্ণিত বিষয়টি আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করি। তখন বিআরটিএ-খুলনা সার্কেলের উপ-পরিচাল(ইঞ্জিঃ) -কে আমার কর্তৃপক্ষ সমাধান করে দিতে বলে কিন্তু  তিনি কোন সমাধান করেননি। আমি কিছু দিন পরে এনআরবিসি ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষের প্রাক্কলন মোতাবেক টাকা জমা দিয়ে পূনরায় সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) জনাব মোঃ আবুল বাশার সাহেবের সাথে আমি ০৯-১০-২০১৯ তারিখ রোজ বুধ বার দেখা করি। উল্লেখ্য যে, বর্ণিত সময় কালে অর্থাৎ এক মাসে আমি বিআরটিএ, খুলনা অফিসে ০৮(আট) বার গিয়েছিলাম। সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ) আমাকে বলেন যে আপনাদের ১০টি মটর সাইকেল সফটওয়্যারে ইনপুট দিতে অনেক সময় লাগবে তাই আপনি পরের দিন আসেন। আমি ১০-১০-২০১৯ তারিখ রোজ বৃহঃস্পতি বার বিকাল ৩.৫০ ঘটিকায় বিআরটিএ, খুলনা সার্কেল অফিসে গিয়ে জানতে পারি সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিঃ)  এবং উপ-পরিচালক(ইঞ্জিঃ) দুইজনই অফিস ত্যাগ করে বাসায় চলে গেছেন যদিও অফিস ৫.০০ ঘটিকা পর্যন্ত, শুধুমাত্র মটরযান পরিদর্শক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম অফিসে ছিলেন।

আমি তখন ১০টি মটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন কপি সাইন করার নিমিত্তে অত্র অফিসের অফিস সহায়কমোঃ মিরাজের মারফতে মটরযান পরিদর্শক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম এর ২০৮ নং কক্ষে পাঠালে তিনি আমার রেজিস্ট্রেশন কপিতে সাইন না করে অফিস ত্যাগ করেন। আমি পূনরায় ১৩-১০-২০১৯ তারিখ রোজ রবি বার  সময় ১১:৪০ ঘটিকায় বর্ণিত ডকুমেন্ট সাইন করার নিমিত্তে বিআরটিএ, খুলনা সার্কেল অফিসের নিচের কক্ষে মটরযান পরিদর্শক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম এর কাছে যাই গিয়ে দেখি তিনি  মটর সাইকেল শোরুমের প্রতিনিধি/দালাল ও আনসার সদস্যের প্রদানকৃত ডকুমেন্ট সাইন  করছেন এবং গল্প করছেন। আমি আমার পরিচয় দিয়ে মটরযান পরিদর্শক জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম এর কাছে রেজিস্ট্রেশন কপিতে সাইন করতে অনুরোধ করি তখন তিনি (মোঃ সাইফুল ইসলাম) আমার কাছে মোট ২০,০০০.০০ (বিশ হাজার টাকা) দাবি করেন। আমি পূনরায় প্রতিবাদ করি এবং দুদুক এর কাছে অভিযোগ করবো বলি তখন আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেয় এবং আমাকে তাহার একই অফিসের কর্মচারী  দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য অফিস সহায়ক মোঃ লিখন শেখ  এবং  অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক শরীফ অহিদুল ইসলাম অকথ্য ভাষায় গালমন্দ,শারীরিক লাঞ্ছিত করেন এমনকি প্রান নাশের হুমকি দেন। আমি পরিবেশ বেগতিক দেখে আমার প্রানের ভয়ে আমি অফিসে চলে আসি।
 
অতএব, মহোদয় আমি একজন সরকারী কর্মকর্তা হয়ে সরকারী কাজে বিআরটিএ এর সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হয়েছি বিধায় নিম্নে বর্ণিত ব্যাক্তিগণের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।

১)    জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম, পদবীঃ মটরযান পরিদর্শক, বিআরটিএ, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৯৮৮-৮৪৮৫৮৬
২)    মোঃ শরীফ অহিদুল ইসলাম, পদবীঃ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বিআরটিএ, খুলনা।    মোবাইলঃ ০১৭৭৫-৬০১৪০৮
৩)    মোঃ লিখন শেখ, পদবীঃ অফিস সহায়ক, বিআরটিএ, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭৮৯-০০০৩৩৩
             



9602. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : আমিরাবাদ,নবীগঞ্জ,বন্দর,নারায়ণগঞ্জ
তারিখ ও সময় : 14 Oct, 2019 12:31:23
বর্ণনা :

আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। ঠিকানাঃ আমিরাবাদ, পোঃ নবীগঞ্জ, থানাঃ বন্দর, জেলাঃ নারায়ণগঞ্জ। এই ওয়ার্ডের আমিরাবাদ এলাকার ভিতরে নেই কোনো রাস্তা, নেই কোনো ড্রেনের ব্যবস্থা, না আছে কোনো আলোর ব্যবস্থা। যা আছে শুধু কাচা রাস্তা। গ্রীষ্মে ও শীতে কোনো সমস্যা না হলেও বৃষ্টির সময় কাচা রাস্তার অবস্থা হয় নাজেহাল। এ সময় রাস্তা বৃষ্টির পানিতে ডুবে যায়, কাদা হয়ে যায়। যার ফলে মানুষের প্রচুর ভোগান্তিতে পরতে হয়। দিনের আলোয় চলাচল করা গেলে ও রাতের আধারে বিভিন্ন সাপ ও জন্তুর উৎপাত বেড়ে যায়। এতে চলাচলে অনেক অসুবিধা হয়। তাই মাননীয় সড়ক মন্ত্রীর কাছে আমরা বলছি আমরা যথাসময়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কর প্রধান করে আসছি, কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো উন্নয়ন এ এলাকার ভিতরে লক্ষ্য করা যায়নি। তাই মাননীয় সড়ক মন্ত্রীর কাছে আবেদন আমাদের এখানে রাস্তা বা ড্রেন নির্মাণ করলে আমরা খুব উপকৃত হবো।
ধন্যবাদ।


জবাব :

See Reply

আপনার অভিযোগের বিষয়টি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সংশ্লিষ্ট নয়। অনুগ্রহ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ অর্থাৎ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হলো।


9601. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Jessore
তারিখ ও সময় : 13 Oct, 2019 09:41:54
বর্ণনা :

আমরা গত ০৯ তারিখে কুয়াকাটা থেকে কুয়াকাটা টু যশোর, বি আর টী সি এর ৪ (৪*৭০০= ২৮০০ টাকা) টা টিকিট কিনি। গাড়ি ছাড়ার সময় ছিল ১০ তারখ সকাল ৬ঃ৩০। আবহওয়া খারাপ ও অন্যান্য সমস্যার কারনে আমারা ৭ টার সময় কাউন্টারে আসি। এসে শুনি যে বাস চলে গেছে। এখন আমার প্রশ্ন হলো


টিকিট কেনার সময় যে দুই টা নাম্বার দিয়েছিলাম তাতে কি কাউন্টার থেকে একবার ফোন দেবার নিয়ম ছিলো না। আপনাদের কুয়াকাটা কাউন্টারের কর্মচারী বলে ফোন নাম্বার ফোন দেয়ার জন্য রাখা হয় না। আর সব বাসে এক নিয়ম আর আপনাদের আলাদা।


তারপর সেই কাউন্টার থেকে বলল যে টাকা ওই গাড়ির সুপারভাইজার শিপন নিয়ে গেছে আপনাদেরকে ৫০% টাকা ফেরত দিবে সে। তার সে আমাদের ওই শিপন এর নম্বার(০১৭১৭৮৮৬৮৬৫) দিলো । শিপন সাহেব একবার ফোন ধরলেন বল লেন যশোর এসে দিবে। আমরা ওই দিন অন্য এক বাসে করে যশোর আসলাম, আর আপনাদের শিপ্ নের নাম্বার বন্ধ এখন পর্যন্ত।


জনগনের টাকা আর কত কি করবেন একটু বলবেন কি।


আমাদের ভুল আমরা দেরি করেছি, কিন্তু


কাউন্টার থেকে গাড়ি ছাড়ার পূর্বে কি একবার ফোন দেওয়া উচিত ছিলো না??


মিস করলাম ঠিক আছে তাই বলে কি ৫০% টাকা ফেরত দেয়া যেত না ? আমি জানি এসব আপনাদের নিয়ম, কিন্তু নিয়মগুলো তো আপনারাই শিকার করেন না। হতে পারে এটা ছোট একটা ঝমেলা, কিন্তু এরকম আপনাদের করমচারীরা প্রতিদিন করছে।


 


আমি অবিলম্বে অই টকা ৫০% এবং অই শিপন ও কুয়াকাটা বি আর টি সি কাউন্টারে শাস্তি দাবি করছি। কোন সমাধান না হলে আমি বি আর টি সি এর নামে যাত্রী হয়রানীর মামলা করব।


বিনীত


জাবের



9600. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Cumilla to Noakhali highway road
তারিখ ও সময় : 11 Oct, 2019 02:40:36
বর্ণনা :

মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়


সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়


বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা 1000


 


শ্রদ্ধেয় স্যার


ঢাকা-নোয়াখালী মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্ব রোড হতে লাকসাম হয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু এই সড়ককে চারলেনে উন্নীতকরণের কাজ অত্যন্ত ধীর গতিতে চলছে। বিশেষ করে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে বিজয়পুর বাজার হয়ে বিজয়পুর রেল ক্রসিং পর্যন্ত কাজের গতি একদম ধীরগতি, একদিন কাজ করে তো তিন দিন ফেলে রাখে, আর এই কাজে যত সংখ্যক লোকবল লাগিয়ে করার কথা সে রকম লোক দেখা যায় না।চার লেনের কাজটি দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেয়া না হলে মানুষের দুর্ভোগ বাড়তেই থাকবে।এই সড়কের লালমাই গোলচত্বর থেকে লাকসাম চন্দনা বাজার পর্যন্ত অংশের এখনো টেন্ডার আহবান করা হয়নি চার লেনে উন্নীত করণের জন্য যাহা অতীব দুঃখজনক বিষয়। প্রায় দুই বছর পার হয়ে গেলেও এই সড়কের দুই নাম্বার প্যাকেজের টেন্ডার আহবান করা হয়নি।আবার সড়কটির নাথেরপেটুয়া বাজার হতে বিপুলাসার বাজার পর্যন্ত চারলেনের তেমন কোন কাজই হয়নি আজকে এই দুই বছরে মাটি ভরাট ও হয়নি এই অংশে।আবার বাগমারা বাজার অংশে রাস্তার দুই পাশ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়নি যার কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা এই সড়কে তীব্র যানজটে পড়ে থাকতে হচ্ছে বাগমারা বাজারে আর এতে করে নারী শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমতাবস্থায়, লালমাই থেকে লাকসাম কান্না বাজার অংশের সড়কের চার লেনে উন্নীত করণের জন্য দ্রুত টেন্ডার আহবান করা হোক এবং বাকি অংশগুলো চার লেনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।


বিনীত নিবেদক


মহিন উদ্দিন


স্টেডিয়াম রোড,মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।



9599. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Dhaka,mirpur-1
তারিখ ও সময় : 10 Oct, 2019 11:15:47
বর্ণনা :

Mirpur-1 theke dhour, beribadh 3ti companyr bus chole ,alif,mohona,kironmala..Tara 3companyr keo e student Vara Kate na..ebong obill,siting service and half pash nai ittadi ozuhaaate Tara zatrider thekeo varao onek besi ney, specially dhourberibadh theke ponchoboti 20taka,eastern housing o 20taka,nobarbag ER aage porjonto jeikhanei namuk taake 20takai pay korte hoy...jodio taka amount khub e kom but Amar Mone hoy eita oniom ebong ek dhoroner onnay...puro Bangladesh e student Vara katleo eder student Vara kat te bolle maramari porjonto lagaye dey...BRTC ER kache onurodh Tara jeno ei bisoy porjobekhon Kore dekhe and niom ER awotay ane othoba ei mirpur to dhour,beribadh rout e BRTC bus service chalu Kore...dhonnobad



9598. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়ক
তারিখ ও সময় : 10 Oct, 2019 09:47:54
বর্ণনা :

কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়কের কুমিল্লা সড়ক অংশের ২ নং  প্যাকেজের আওতাধীন লালমাই গোলচত্তর হতে লাকসাম বাইপাস হয়ে চন্দনা বাজার পর্যন্ত অংশের 17 কিলোমিটার  সড়কের চার লেনে উন্নীত করণের  টেন্ডার আহবান  কবে হবে ? লালমাই -- লাকসাম অংশের ১৭ কিলোমিটারের টেন্ডার আহবানের বিষয়টি কোথায় কেন আটকে আছে?? একনেকে এই প্রকল্পটি পাশের পর প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও কেন  লালমাই -- লাকসাম চন্দনা অংশের ১৭ কিলোমিটার সড়ক চারলেনে উন্নীতকরনের  এখনো টেন্ডারই  আহবান করা হয়নি ??? 



9597. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়ক
তারিখ ও সময় : 10 Oct, 2019 08:43:09
বর্ণনা :

ঢাকা চট্রগ্রাম মহা সড়ক হলো বাংলাদেশের প্রধান মহা সড়ক।  এ মহাসড়ক টি 2001 এ আওয়ামী সরকারের সময় উন্নয়ন হয়েছে। তারপর আর কেউ উন্নন এ হাত দেয় নাই মনে হচ্ছে। আর প্রতিটি রাস্তার মেরামত বা সংরক্ষনের জন্য কি কোন লোক নিয়োগ আছে? তারা নিয়মিত পরিস্কার বা সংরক্ষণ বা সস্কার করছে কিনা এটা কার দায়িত্ব? আর প্রতিটি  ছেট বড় ব্রিজ গুলোতে উঠা নামার সময় অনেক জোরে আঘাত বা বারি খায়। যাতে অসুস্থ লোকের অনকে কষ্ট হয়। গাড়িরও ক্ষতি হয় অনেক। এটার কি কোন সমাধান বাংলাদেশ সরকারের নাই? বিষয়টি নিয়ে কার সাথে আলোচনা বা যোগাযোগ করতে পারবো। ছোট ছোট ব্রিজ গুলো মুল রাস্তার চেয়ে ছোট হওয়ায় গাড়ি এক সাথে যেতে সমস্যা হয়। ব্রিজ দিয়ে মানুষ যেতেও অনেক সমস্যা হয়। মানুষের উপর গাড়ি উঠিয়ে দেয় বা চাপা দেয় (আমার প্রত্তক্ষ যায়গাটি হলো: দাউদকান্দি বলদাখাল ব্রিজ)। সেই ব্রিজে কোন ফুটপাত নেই। বিষয়টি কাকে বললে সমাধান হবে?



9596. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : মধ্যবাজার,সুনামগঞ্জ।
তারিখ ও সময় : 10 Oct, 2019 05:29:25
বর্ণনা :

সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের(R-280) উন্নয়ন কাজের প্রকল্পের অগ্রগতি কতটুকু? এই প্রকল্পের মোট ব্যয় কত? এই সড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার কোন পরিকল্পনা কি আছে???



9593. প্রদানকারীর বিবরণ (নাম,ফোন ইত্যাদি) : মতামত প্রদানকারীর পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্থ স্হান, জেলা : Cumilla - Laksam- Noakhali highway
তারিখ ও সময় : 07 Oct, 2019 04:11:29
বর্ণনা :

 


বরাবর


শ্রদ্বেয় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়


সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়। ঢাকা-১০০০  


 


একসময়  চীনের দুঃখ ছিল হোয়াংহো নদী আর এখন নোয়াখালীবাসীর দুঃখ  ঢাকা--নোয়াখালী মহাসড়ক তথা কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়ক । অভিভাবকহীন এক মহাসড়কের নাম ঢাকা--নোয়াখালী মহাসড়ক তথা কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়ক । বিগত 10 বছর ধরে ঢাকা--লাকসাম -নোয়াখালী  মহাসড়কে যাত্রীসাধারণ চরম ভোগান্তি নিয়ে যাতায়াত করছে যেন দেখার কেহ নেই। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক হচ্ছে ঢাকা-লাকসাম-নোয়াখালী মহাসড়ক। এই মহাসড়কটি দিয়ে নোয়াখালী,লক্ষীপুর ফেনীসহ চাঁদপুর জেলা এবং কুমিল্লা জেলার দক্ষিণাংশের অনেকগুলো উপজেলা হতে প্রতিদিন শত শত বাস-ট্রাকসহ অসংখ্য যানবাহন এই সড়ক দিয়ে ঢাকার পথে যাতায়াত করে থাকে। মহাসড়কটির গুরুত্ব বিবেচনা করে সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার গত মেয়াদের 24 অক্টোবর 2017 খ্রিস্টাব্দ তারিখে একনেকের সভায় 2 হাজার 170 কোটি 78 লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়। কুমিল্লার টমছম ব্রীজ থেকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রায় 59 কিলোমিটার সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করণের লক্ষ্যে চারটি প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়। ইতিমধ্যে কুমিল্লা অংশের 2 প্যাকেজ এবং নোয়াখালী অংশের এক প্যাকেজের টেন্ডার আহবান শেষে বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু নোয়াখালী অংশের মাটি ভরাট সহ সেন্ড ফিলিং এর তেমন কোন কাজই শুরু হয়নি শুধু বজরা বাজারের একটি ব্রিজের কাজ ছাড়া। আর কুমিল্লা অংশের দুই প্যাকেজের মধ্যে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে বিজয়পুর রেল ক্রসিং পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার রাস্তা খুবই বেহালদশা পতিত হয়েছে, এই অংশের চার লেনের কাজ তেমন একটা হয়নি বললেই চলে। এছাড়া কুমিল্লা অংশের তিন নম্বর প্যাকেজের আওতাধীন নাথেরপেটুয়া বাজার হতে বিপুলাশার বাজার পর্যন্ত অংশে চার লেনের কোন কাজ শুরু হয়নি এখন পর্যন্ত। অতীব দুঃখের বিষয় হচ্ছে কুমিল্লা সড়ক অংশের ২ নং  প্যাকেজের আওতাধীন লালমাই গোলচত্তর হতে লাকসাম বাইপাস পার হয়ে চন্দনা বাজার পর্যন্ত অংশের সড়কের চার লেনে উন্নীত করণের জন্য এখনো টেন্ডার আহ্বানই করা হয়নি, এই অংশে বাগমারা বাজার এবং লাকসাম বাজার অংশে এলাইনমেন্ট ঠিক করার নামে প্রায় দুই বছর চলে গেছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত লালমাই থেকে লাকসাম অংশের 17 কিলোমিটার সড়কের চার লেনে উন্নীত করণের টেন্ডার আহ্বান করা হয়নি। এদিকে মূল সড়কের অবস্থা এখন খুবই বেহালদশা, ছোট-বড় অসংখ্য গর্তে ভরপুর এই কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কটি, এছাড়া বাগমারা বাজার অংশে এবং লাকসাম বাজার অংশে রাস্তা লাগোয়া দোকানপাটের কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা মানুষকে তীব্র জ্যামের মধ্যে আটকে থাকতে হচ্ছে। অনতিবিলম্বে উল্লিখিত সড়কটির লালমাই গোলচত্বরে লাকসাম চন্দনা বাজার অংশের টেন্ডার আহবান করে চার লেনের বাস্তবায়ন কাজ শুরু করা হোক। লক্ষ লক্ষ মানুষ মানুষ এই কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে এখন যেন দেখার কেহ নেই। মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী মহোদয়কে কুমিল্লা- নোয়াখালী মহাসড়কটি পরিদর্শনের জোর অনুরোধ জানাই। বছরের পর বছর এভাবে কাজ ফেলে রেখে কিংবা কাজের গতি একদম কমিয়ে ফেলে বা একদম ধীরগতিতে কাজ করে প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে ইদানিং যাহা দায়িত্বে অবহেলার শামিল। কুমিল্লা সড়ক অংশের ২ নং  প্যাকেজের আওতাধীন লালমাই গোলচত্তর হতে লাকসাম বাইপাস পার হয়ে চন্দনা বাজার পর্যন্ত অংশের সড়কের চার লেনে উন্নীত করণের জন্য টেন্ডার আহ্বান কবে নাগাদ হতে যাচ্ছে এটা সবাই জানতে চায়। কুমিল্লা - নোয়াখালী মহাসড়কের সড়কের উপর হতে বিদ্যুতের খুঁটি গুলো অপসারণ করা হোক । এমতাবস্থায় ঢাকা--নোয়াখালী মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড মোড় হতে লাকসাম হয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটিকে চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী মহোদয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।  



 

জবাব :

See Reply

‘‘কুমিল্লা (টমছমব্রীজ)-নোয়াখালী(বেগমগঞ্জ) আঞ্চলিক মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীতকরণ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গত ২৪-১০-২০১৭ তারিখে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় অনুমোদিত হয়, যার বাস্তবায়নকাল ০১-০৭-২০১৭ হতে ৩০-০৬-২০২০ পর্যন্ত। প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২১৭০৭৮.০০ লক্ষ টাকা। উক্ত প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার টমছমব্রীজ হতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ পর্যন্ত মোট ৫৯.০০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪-লেনে উন্নীতকরণ কাজ অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। বর্ণিত প্রকল্পে পূর্ত কাজে মোট ০৫টি প্যাকেজের মধ্যে প্যাকেজ-০১, প্যাকেজ-০২ এবং প্যাকেজ-০৩ কুমিল্লা সড়ক বিভাগের আওতাধীন। নিমেণ প্যাকেজওয়ারী অগ্রগতি প্রদত্ত হলোঃ-

 প্যাকেজ-০১ঃ উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন কুমিল্লা-চাঁদপুর (আর-১৪০) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১+১০০ হতে ১২+১০০ = ১১.১০ কিলোমিটার (টমছমব্রীজ হতে লালমাই) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। উক্ত প্যাকেজের আওতায় পদুয়ার বাজার হতে রহমান ফিলিং ষ্টেশন পর্যন্ত ১.৫০ কিলোমিটার সড়কাংশে পানি নিস্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট কাজ দীর্ঘস্থায়ী হয় না বিধায় উক্ত অংশে রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, ইতোমধ্যে ৪৫০ মিঃ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পদুয়ার বাজার হতে বিপুলাসার পর্যন্ত সড়কটিতে বৈদ্যুতিক খুঁটিসমূহ স্থানান্তরের জন্য অনুমোদিত ডিপিপিতে বরাদ্দের সংস্থান হতে সংশ্লিষ্ট সংস্থা (পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ) কর্তৃক প্রণীত প্রাক্কলন অনুযায়ী অর্থ প্রদান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক ইউটিলিটি শিফটিং কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্যাকেজের অগ্রগতি ৪০%।

 প্যাকেজ-০২ঃ উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন কুমিল্লা-চাঁদপুর (আর-১৪০) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১১+১০০ হতে ২৮+১০০ = ১৭.০০ কিলোমিটার (লালমাই হতে চন্দনা) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। উক্ত প্যাকেজের আওতায় বাগমারা ও লাকসাম বাজার অংশে পর্যাপ্ত অধিগ্রহণকৃত ভূমি নেই বিধায় কুমিলস্না জেলা প্রশাসনের দপ্তর হতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সময় লাকসাম বাজার অংশে বিদ্যমান এ্যালাইনমেন্ট ৪-লেন মহাসড়ক নির্মাণ না করে বিকল্প এ্যালাইনমেন্টে ২-লেন মহাসড়ক নির্মাণ করা যৌক্তিক বিবেচনা করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি বাস্তবসম্মত বিবেচনায় সওজ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় হতে একাধিকবার পরিদর্শনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ান্তে লাকসাম বাজার অংশে বিকল্প ২-লেন সড়কের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়াও লালমাই হতে চন্দনা পর্যন্ত অনুমোদিত প্রকল্পের এ্যালাইনমেন্ট এ প্রচুর বহুতল ভবন, মসজিদ, কবরস্থান, শশ্মানঘাট এবং বাজার এলাকাসহ মূল্যবান স্থাপনা থাকায় কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের দপ্তর হতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সময় লাকসাম বাজার অংশে বিদ্যমান এ্যালাইনমেন্ট ৪-লেন মহাসড়ক নির্মাণ না করে বিকল্প এ্যালাইনমেন্টে ২-লেন মহাসড়ক নির্মাণ করা যৌক্তিক বিবেচনা করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি বাস্তবসম্মত বিবেচনায় সওজ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় হতে একাধিকবার পরিদর্শনে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ান্তে লাকসাম বাজার অংশে বিকল্প ২-লেন সড়কের সিদ্ধামত্ম নেয়া হয়। বিদ্যমান সড়কের এ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ, ট্রপোগ্রাফিক্যাল সার্ভে, মৌজা ম্যাপ-এ এ্যালাইনমেন্ট চিহ্নিতকরণ, ভূমির পরিমাণ নির্ধারণ, নতুন এ্যালাইনমেন্টে সড়ক ও সেতু কালভার্ট এর নকশা প্রণয়ন, পুরাতন এ্যালাইনমেন্ট এ সড়ক সেতু ‍ও কালভার্ট এর নকশা পরিবর্তনসহ বিবিধ কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজন হয়। বর্তমানে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করে নতুনভাবে দরপত্র আহ্বানের ও প্রাক্কলন প্রণয়ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে ঠিকাদার নিযুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত উক্ত অংশে বিভাগীয়ভাবে মেরামত কাজ চলমান রয়েছে।

 প্যাকেজ-০৩: উক্ত প্যাকেজের আওতায় কুমিল্লা সড়ক বিভাগাধীন লালমাই-লাকসাম-সোনাইমুড়ী (আর-১৪১) আঞ্চলিক মহাসড়কের চেইনেজ ১৭+০০০ হতে ৩৩+০০০ = ১৬.০০ কিলোমিটার (চন্দনা হতে বিপুলাসার) সড়ক অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। বর্তমানে উক্ত প্যাকেজের অগ্রগতি ৫৫%।

 সর্বোপরি বর্ণিত সড়কে চলাচলকারী জনসাধারণ দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্ণিত প্রকল্পের সুফল ভোগ করবে। এখানে বিশেষভাবে উলেস্নখ্য যে, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে উন্নয়ন কাজ সম্পাদনের পূর্ব পর্যন্ত বর্ণিত সড়কাংশ বিভাগীয়ভাবে এবং নিয়োজিত ঠিকাদারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ সড়কাংশসমূহ মেরামত করতঃ যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে নির্বাহী প্রকৌশলী,  সওজ, সড়ক বিভাগ, কুমিল্লা স্মারক নং-২৫৭৫ তাং ০৯/১০/২০১৯ এর মাধ্যমে অত্র দপ্তরকে অবহিত করেছেন।